ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

কার্নিভাল শেষে কুয়াকাটা সৈকতে ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান সপ্তাহে এক দিন সৈকত পরিষ্কারের নির্দেশ আমানউল্লাহ আমানের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: দীর্ঘ নয় বছর পর আয়োজিত কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল শেষ হয়েছে। উৎসবের আমেজের পর সৈকতের পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ রক্ষায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমানের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে সৈকতের পশ্চিম দিকে তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
‘পরিচ্ছন্ন সৈকত, ছাত্রদলের অঙ্গীকার’ স্লোগানে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সৈকতে পড়ে থাকা বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পর্যটন কার্নিভাল উপলক্ষে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগমের পর সৈকতের পরিবেশ সুন্দর রাখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকেরা।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব জাকারিয়া আহমেদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আল-আমিন হোসেন, কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাজী ইয়াদুল ইসলাম তুষার, কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন ও সদস্যসচিব নেছার উদ্দিনসহ কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন। কর্মসূচিতে ছাত্রদলের দুই শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শেষে আমানউল্লাহ আমান বলেন, “কুয়াকাটা শুধু একটি পর্যটনকেন্দ্র নয়, এটি আমাদের দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এই সৈকতের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। পর্যটকেরা যেন পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর সৈকত উপভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই ছাত্রদলের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “পরিচ্ছন্নতা অভিযান যেন শুধু এক দিনের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থাকে, সে জন্য ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক দিন সৈকত পরিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই, সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখার এই উদ্যোগ নিয়মিত কার্যক্রমে পরিণত হোক। পরিবেশ রক্ষায় সবাই এগিয়ে এলে কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব হবে।”
সৈকতে যত্রতত্র প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য না ফেলার জন্য পর্যটক ও দর্শনার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পর্যটনকেন্দ্রের পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব কোনো একক সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের নয়। এ জন্য রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, পর্যটক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
কার্নিভাল ঘিরে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগমের পর সৈকতের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এখন কুয়াকাটার পর্যটন ব্যবস্থাপনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে সৈকতের পরিবেশ রক্ষা এবং পর্যটনবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখা সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুদকের নজরদারিতে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা হুমায়ুন

কার্নিভাল শেষে কুয়াকাটা সৈকতে ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান সপ্তাহে এক দিন সৈকত পরিষ্কারের নির্দেশ আমানউল্লাহ আমানের

প্রকাশিত : ০৫:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: দীর্ঘ নয় বছর পর আয়োজিত কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভাল শেষ হয়েছে। উৎসবের আমেজের পর সৈকতের পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ রক্ষায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমানের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে সৈকতের পশ্চিম দিকে তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
‘পরিচ্ছন্ন সৈকত, ছাত্রদলের অঙ্গীকার’ স্লোগানে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সৈকতে পড়ে থাকা বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পর্যটন কার্নিভাল উপলক্ষে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগমের পর সৈকতের পরিবেশ সুন্দর রাখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকেরা।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব জাকারিয়া আহমেদ, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আল-আমিন হোসেন, কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কাজী ইয়াদুল ইসলাম তুষার, কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন ও সদস্যসচিব নেছার উদ্দিনসহ কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন। কর্মসূচিতে ছাত্রদলের দুই শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

অভিযান শেষে আমানউল্লাহ আমান বলেন, “কুয়াকাটা শুধু একটি পর্যটনকেন্দ্র নয়, এটি আমাদের দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এই সৈকতের সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। পর্যটকেরা যেন পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর সৈকত উপভোগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই ছাত্রদলের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “পরিচ্ছন্নতা অভিযান যেন শুধু এক দিনের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না থাকে, সে জন্য ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক দিন সৈকত পরিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই, সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখার এই উদ্যোগ নিয়মিত কার্যক্রমে পরিণত হোক। পরিবেশ রক্ষায় সবাই এগিয়ে এলে কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব হবে।”
সৈকতে যত্রতত্র প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য না ফেলার জন্য পর্যটক ও দর্শনার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পর্যটনকেন্দ্রের পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব কোনো একক সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের নয়। এ জন্য রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, পর্যটক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
কার্নিভাল ঘিরে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগমের পর সৈকতের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এখন কুয়াকাটার পর্যটন ব্যবস্থাপনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি পর্যটকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে সৈকতের পরিবেশ রক্ষা এবং পর্যটনবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখা সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।