ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

দ্য ডেইলি স্টারের সাংবাদিক সোহরাব হোসেনের স্মরণে মিলাদ ও দোয়া

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:০৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতায় যুক্ত ছিলেন দ্য ডেইলি স্টারের পটুয়াখালী প্রতিনিধি মো. সোহরাব হোসেন। সংবাদকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শিক্ষকতা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত ছিলেন তিনি। তাঁর কর্মজীবন ও অবদানের কথা স্মরণ করে পটুয়াখালীতে মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পটুয়াখালী প্রেসক্লাব আয়োজনে আজ সোমবার বাদ মাগরেব পটুয়াখালী প্রেসক্লাব মিলনায়তে এ আয়োজন করা হয়।
দোয়া মোনাজাত শুরুর আগে সোহরাব হোসেন নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাংবাদিকতা করেছেন।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি শিক্ষা ও সমাজসেবায়ও তাঁর অবদান ছিল। তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় সাংবাদিকতা ও সামাজিক অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলে উল্লেখ বক্তব্য দেন পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জাকির হোসেন।

দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন, পটুয়াখালীর বড় মসজিদের খতিব ও জেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি আলহাজ্জ মাওলানা মো, আবু সাঈদ ও জেলা ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও মুসলিমপাড়া জওিম মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল কাদের।
সোহরাব হোসেন পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি সংগঠনটির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি দুমকি উপজেলার দক্ষিণ মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এ ছাড়া তিনি আউলিয়াপুর সাবিনা আক্তার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি, দক্ষিণ আউলিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এবং তারুণ্যের আউলিয়াপুরের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
গত ২০ অক্টোবর পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সোহরাব হোসেন। পরদিন আউলিয়াপুর সাবিনা আক্তার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জানাজা শেষে বড় ভাই মাওলানা ওহাব মোল্লার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।
মিলাদ শেষে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এতে তাঁর দুই ছেলে মো. আতিকুর রহমান ও মো. সুফিয়ান মোল্লাসহ আত্মীয়স্বজন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্য ডেইলি স্টারের সাংবাদিক সোহরাব হোসেনের স্মরণে মিলাদ ও দোয়া

দ্য ডেইলি স্টারের সাংবাদিক সোহরাব হোসেনের স্মরণে মিলাদ ও দোয়া

প্রকাশিত : ০৯:০৬:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতায় যুক্ত ছিলেন দ্য ডেইলি স্টারের পটুয়াখালী প্রতিনিধি মো. সোহরাব হোসেন। সংবাদকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শিক্ষকতা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত ছিলেন তিনি। তাঁর কর্মজীবন ও অবদানের কথা স্মরণ করে পটুয়াখালীতে মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পটুয়াখালী প্রেসক্লাব আয়োজনে আজ সোমবার বাদ মাগরেব পটুয়াখালী প্রেসক্লাব মিলনায়তে এ আয়োজন করা হয়।
দোয়া মোনাজাত শুরুর আগে সোহরাব হোসেন নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাংবাদিকতা করেছেন।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি শিক্ষা ও সমাজসেবায়ও তাঁর অবদান ছিল। তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় সাংবাদিকতা ও সামাজিক অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলে উল্লেখ বক্তব্য দেন পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জাকির হোসেন।

দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন, পটুয়াখালীর বড় মসজিদের খতিব ও জেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি আলহাজ্জ মাওলানা মো, আবু সাঈদ ও জেলা ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও মুসলিমপাড়া জওিম মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল কাদের।
সোহরাব হোসেন পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি সংগঠনটির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি দুমকি উপজেলার দক্ষিণ মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এ ছাড়া তিনি আউলিয়াপুর সাবিনা আক্তার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি, দক্ষিণ আউলিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এবং তারুণ্যের আউলিয়াপুরের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
গত ২০ অক্টোবর পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সোহরাব হোসেন। পরদিন আউলিয়াপুর সাবিনা আক্তার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জানাজা শেষে বড় ভাই মাওলানা ওহাব মোল্লার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।
মিলাদ শেষে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এতে তাঁর দুই ছেলে মো. আতিকুর রহমান ও মো. সুফিয়ান মোল্লাসহ আত্মীয়স্বজন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।