ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬

গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ, মা-মেয়ের পর বাবাও না ফেরার দেশে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:২৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • ২৪১ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর আফতাবনগরে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধের ঘটনায় তোফাজ্জল হোসেন (৩২) নামে আরও একজন মারা গেছেন। এই ঘটনায় তিনজন মারা গেল।

বুধবার (২১ মে) ভোর সারে ৫টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এরআগে মারা যায় তোফাজ্জলের স্ত্রী মানসুরা ও তার ৪ বছর বয়সী মেয়ে তানজিলা।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন, বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, তোফাজ্জলের শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। সাথে শ্বাসনালীও পুড়ে গিয়েছিল। চিকিৎসাধীন হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) রাখা হয়েছিল তাকে। সেখানেই ভোরে মারা গেছেন তিনি।

তিনি জানান, বর্তমানে তোফাজ্জলের দুই মেয়ে তানিশা ৩০শতাংস ও মিথিলার ৬০শতাংস দগ্ধ নিয়ে ভর্তি আছে। তাদের সবার অবস্থা আশংকাজনক।

এরআগে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে আফতাবনগরে দক্ষিণ আনন্দনগর এলাকায় একটি তিন তলা বাসার নিচ তলায় এক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধ হন মানসুরা আক্তার (২৮), স্বামী তোফাজ্জল হোসেন (৩২), তিন মেয়ে তানিশা (১১), মিথিলা (৮) ও তানজিলা (৪)।

মানসুরার মেয়ের জামাই মো. রিপন জানান, ওই বাসাটির পাশে একটি ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। সেখানে খুঁড়াখুঁড়ি কাজের সময় গ্যাস লাইনের লিকেজ হয়। সেখান থেকে গ্যাস বের হতে থাকে। ঘটনার সেদিন সকালে বিষয়টি বাড়িওয়ালাকে জানান হয়। তবে তিনি কোনও ব্যবস্থা নেননি। পরবর্তীতে সেদিন রাতে যখন বাসায় মশার কয়েল জ্বালাচ্ছিলেন, তখনই বিস্ফোরণ হয়। এতে পরিবারটির ৫ জন দগ্ধ হয়।

তোফাজ্জল পেশায় একজন দিনমজুর। ৪ কন্যা সন্তানের জনক তিনি। ঘটনাটিতে স্বামী-স্ত্রীসহ তার ছোট ৩ মেয়েই দগ্ধ হয়েছে। স্বামীর বাড়িতে থাকায় ভাগ্যক্রমে আগুনের হাত থেকে বেঁচে গেছেন বড় মেয়ে। তাদের গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদরে।

বেনাপোল পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার বিতরন করলেন

গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ, মা-মেয়ের পর বাবাও না ফেরার দেশে

প্রকাশিত : ১১:২৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

রাজধানীর আফতাবনগরে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধের ঘটনায় তোফাজ্জল হোসেন (৩২) নামে আরও একজন মারা গেছেন। এই ঘটনায় তিনজন মারা গেল।

বুধবার (২১ মে) ভোর সারে ৫টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এরআগে মারা যায় তোফাজ্জলের স্ত্রী মানসুরা ও তার ৪ বছর বয়সী মেয়ে তানজিলা।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন, বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, তোফাজ্জলের শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। সাথে শ্বাসনালীও পুড়ে গিয়েছিল। চিকিৎসাধীন হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) রাখা হয়েছিল তাকে। সেখানেই ভোরে মারা গেছেন তিনি।

তিনি জানান, বর্তমানে তোফাজ্জলের দুই মেয়ে তানিশা ৩০শতাংস ও মিথিলার ৬০শতাংস দগ্ধ নিয়ে ভর্তি আছে। তাদের সবার অবস্থা আশংকাজনক।

এরআগে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে আফতাবনগরে দক্ষিণ আনন্দনগর এলাকায় একটি তিন তলা বাসার নিচ তলায় এক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধ হন মানসুরা আক্তার (২৮), স্বামী তোফাজ্জল হোসেন (৩২), তিন মেয়ে তানিশা (১১), মিথিলা (৮) ও তানজিলা (৪)।

মানসুরার মেয়ের জামাই মো. রিপন জানান, ওই বাসাটির পাশে একটি ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। সেখানে খুঁড়াখুঁড়ি কাজের সময় গ্যাস লাইনের লিকেজ হয়। সেখান থেকে গ্যাস বের হতে থাকে। ঘটনার সেদিন সকালে বিষয়টি বাড়িওয়ালাকে জানান হয়। তবে তিনি কোনও ব্যবস্থা নেননি। পরবর্তীতে সেদিন রাতে যখন বাসায় মশার কয়েল জ্বালাচ্ছিলেন, তখনই বিস্ফোরণ হয়। এতে পরিবারটির ৫ জন দগ্ধ হয়।

তোফাজ্জল পেশায় একজন দিনমজুর। ৪ কন্যা সন্তানের জনক তিনি। ঘটনাটিতে স্বামী-স্ত্রীসহ তার ছোট ৩ মেয়েই দগ্ধ হয়েছে। স্বামীর বাড়িতে থাকায় ভাগ্যক্রমে আগুনের হাত থেকে বেঁচে গেছেন বড় মেয়ে। তাদের গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও সদরে।