ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

আমরা গাজার মানুষকে অনাহারে থাকতে দিতে পারি না: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:৪১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • ২৬৪ বার দেখা হয়েছে

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কায়ার স্টারমার বলেছেন, ‘বোমা হামলার শিকার নিষ্পাপ শিশুদের দুর্ভোগের মাত্রা সম্পূর্ণ অসহনীয়, আমরা গাজার মানুষকে অনাহারে থাকতে দিতে পারি না।’ মঙ্গলবার (২০ মে) হাউস অফ কমন্সে ইইউর সাথে ইউকের “পুনঃস্থাপন চুক্তি” নিয়ে বক্তব্য প্রদানের সময় এ কথা বলেন তিনি। খবর আনাদোলুর।

ইসরায়েলি সরকারের সাম্প্রতিক ঘোষণা, তারা গাজায় কেবলমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সাহায্যের অনুমতি দেবে। সে সম্পর্কে স্টারমার বলেন, এটি ‘সম্পূর্ণ এবং সম্পূর্ণরূপে অপর্যাপ্ত।’ এসময় গাজায় ব্যাপকভাবে মানবিক সহায়তা বৃদ্ধির দাবির ওপর জোর দেন স্টারমার।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি আজ বলতে চাই, ইসরায়েলের উত্তেজনায় আমরা আতঙ্কিত। আমরা গাজার জনগণকে কোনোভাবেই অনাহারে থাকতে দিতে পারি না।’

গাজা উপত্যকায় নতুন করে নৃশংসতার কারণে এরই মধ্যে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করেছে যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার (২০ মে) এ ঘোষণা দেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড লামি।

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে তিনি বলেছেন, ‘আমরা ইসরায়েলি সরকারের সঙ্গে নতুন মুক্ত বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করেছি। ২০৩০ সালের দ্বিপাক্ষিক রোডম্যাপ অনুযায়ী ইসরায়েলের সঙ্গে যে সহযোগিতার বিষয়টি রয়েছে, সেটি আমরা পর্যালোচনা করবো। নেতানিয়াহু সরকারের কর্মকাণ্ড এই পর্যালোচনা প্রয়োজনীয় করে তুলেছে।’

তবে যুদ্ধ বন্ধ ও মানবিক বিপর্যয় রোধে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মহল থেকে যুদ্ধবিরতির আহ্বানকে তোয়াক্কা করছে না ইসরায়েল। বরং অভিযান আরও জোরদার করে গাজা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী।
দখলদারদের সেনাবাহিনী ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় নৃশংস আক্রমণ চালিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৩ হাজার ৫০০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

কুলাউড়ায় কোটি টাকা ব্যয়ে খাল খনন কাজ চলমান

আমরা গাজার মানুষকে অনাহারে থাকতে দিতে পারি না: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১১:৪১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কায়ার স্টারমার বলেছেন, ‘বোমা হামলার শিকার নিষ্পাপ শিশুদের দুর্ভোগের মাত্রা সম্পূর্ণ অসহনীয়, আমরা গাজার মানুষকে অনাহারে থাকতে দিতে পারি না।’ মঙ্গলবার (২০ মে) হাউস অফ কমন্সে ইইউর সাথে ইউকের “পুনঃস্থাপন চুক্তি” নিয়ে বক্তব্য প্রদানের সময় এ কথা বলেন তিনি। খবর আনাদোলুর।

ইসরায়েলি সরকারের সাম্প্রতিক ঘোষণা, তারা গাজায় কেবলমাত্র একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সাহায্যের অনুমতি দেবে। সে সম্পর্কে স্টারমার বলেন, এটি ‘সম্পূর্ণ এবং সম্পূর্ণরূপে অপর্যাপ্ত।’ এসময় গাজায় ব্যাপকভাবে মানবিক সহায়তা বৃদ্ধির দাবির ওপর জোর দেন স্টারমার।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি আজ বলতে চাই, ইসরায়েলের উত্তেজনায় আমরা আতঙ্কিত। আমরা গাজার জনগণকে কোনোভাবেই অনাহারে থাকতে দিতে পারি না।’

গাজা উপত্যকায় নতুন করে নৃশংসতার কারণে এরই মধ্যে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করেছে যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার (২০ মে) এ ঘোষণা দেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড লামি।

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে তিনি বলেছেন, ‘আমরা ইসরায়েলি সরকারের সঙ্গে নতুন মুক্ত বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করেছি। ২০৩০ সালের দ্বিপাক্ষিক রোডম্যাপ অনুযায়ী ইসরায়েলের সঙ্গে যে সহযোগিতার বিষয়টি রয়েছে, সেটি আমরা পর্যালোচনা করবো। নেতানিয়াহু সরকারের কর্মকাণ্ড এই পর্যালোচনা প্রয়োজনীয় করে তুলেছে।’

তবে যুদ্ধ বন্ধ ও মানবিক বিপর্যয় রোধে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মহল থেকে যুদ্ধবিরতির আহ্বানকে তোয়াক্কা করছে না ইসরায়েল। বরং অভিযান আরও জোরদার করে গাজা নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী।
দখলদারদের সেনাবাহিনী ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় নৃশংস আক্রমণ চালিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৩ হাজার ৫০০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।