ঢাকা ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

জয়পুরহাটে গভীর নলকূপের নৈশপ্রহরীর মরদেহ উদ্ধার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ২১৯ বার দেখা হয়েছে

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় গভীর নলকূপের (ডিপ টিউবওয়েল) পাহারাদারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের কলিঙ্গা গ্রামের কালাইগাড়ি নামক একটি ফসলের মাঠের গভীর নলকূপের ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের বলছে, মরদেহের হাত-পা বাঁধা, গলায় হালকা আঘাতের চিহ্ন আছে, নাক দিয়ে রক্ত বের হয়েছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

নিহত বৃদ্ধের নাম আবু সাঈদ (৬৫)। তিনি ক্ষেতলাল উপজেলার বরাইল ইউনিয়নের বেলগাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই গভীর নলকূপের পাহারাদার হিসেবে কাজ করছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবু সাঈদ কালাইগাড়ি মাঠের মোহাম্মদের গভীর নলকূপে পাহাদারের দায়িত্বে ছিলেন। এ কারণে প্রতি রাতে তিনি গভীর নলকূপে যেতেন আবার ভোরের দিকে বাড়িতে গিয়ে মেয়ের জামাইয়ের মুরগি খামারে খাবার দিতেন। গতকাল বৃহস্পতিবারও তিনি সময়মতো গভীর নলকূপে যান। তবে শুক্রবার ভোরের দিকে আর বাড়িতে যাননি। তখন বাড়ি থেকে আবু সাঈদের মুঠোফোনে কল করলে তিনি রিসিভ করেননি। পরে ওই গভীর নলকূপের ঘরে গিয়ে তার হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহতের ভাতিজা মো. সাবু বলেন, চাচা প্রতিদিন ভোরবেলা বাড়িতে যান। কিন্তু আজকে বাড়িতে যাননি। পরে উনার জামাই মোবাইলে কল করেন। কিন্তু কল রিসিভ হয়নি। পরে ডিপে এসে দেখেন দরজা খোলা এবং ভেতরে বিছানার ওপর পড়ে আছে, নড়াচড়া করে না। আমরা কয়েকজন এগিয়ে এসে দেখি চাচার পা বাঁধা, হাত বাঁধা, নাক  দিয়ে রক্ত বের হয়েছে।

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। মাঠের মধ্যে একটি গভীর নলকূপ এলাকায় সেখানে উনি (আবু সাঈদ) একাই পাহারাদার হিসেবে থাকতেন। মাঠে এসে দেখা যায়Ñ মরদেহের হাত-পা বাঁধা, গলায় হালকা আঘাতের চিহ্ন আছে, নাক দিয়ে রক্ত বের হয়েছে। এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য আমরা উদঘাটন করব এবং প্রকৃত আসামিকে খুঁজে বের করা হবে।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় আসছেন

জয়পুরহাটে গভীর নলকূপের নৈশপ্রহরীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৫:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় গভীর নলকূপের (ডিপ টিউবওয়েল) পাহারাদারের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বড়াইল ইউনিয়নের কলিঙ্গা গ্রামের কালাইগাড়ি নামক একটি ফসলের মাঠের গভীর নলকূপের ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের বলছে, মরদেহের হাত-পা বাঁধা, গলায় হালকা আঘাতের চিহ্ন আছে, নাক দিয়ে রক্ত বের হয়েছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

নিহত বৃদ্ধের নাম আবু সাঈদ (৬৫)। তিনি ক্ষেতলাল উপজেলার বরাইল ইউনিয়নের বেলগাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই গভীর নলকূপের পাহারাদার হিসেবে কাজ করছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবু সাঈদ কালাইগাড়ি মাঠের মোহাম্মদের গভীর নলকূপে পাহাদারের দায়িত্বে ছিলেন। এ কারণে প্রতি রাতে তিনি গভীর নলকূপে যেতেন আবার ভোরের দিকে বাড়িতে গিয়ে মেয়ের জামাইয়ের মুরগি খামারে খাবার দিতেন। গতকাল বৃহস্পতিবারও তিনি সময়মতো গভীর নলকূপে যান। তবে শুক্রবার ভোরের দিকে আর বাড়িতে যাননি। তখন বাড়ি থেকে আবু সাঈদের মুঠোফোনে কল করলে তিনি রিসিভ করেননি। পরে ওই গভীর নলকূপের ঘরে গিয়ে তার হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মরদেহ পাওয়া যায়।

নিহতের ভাতিজা মো. সাবু বলেন, চাচা প্রতিদিন ভোরবেলা বাড়িতে যান। কিন্তু আজকে বাড়িতে যাননি। পরে উনার জামাই মোবাইলে কল করেন। কিন্তু কল রিসিভ হয়নি। পরে ডিপে এসে দেখেন দরজা খোলা এবং ভেতরে বিছানার ওপর পড়ে আছে, নড়াচড়া করে না। আমরা কয়েকজন এগিয়ে এসে দেখি চাচার পা বাঁধা, হাত বাঁধা, নাক  দিয়ে রক্ত বের হয়েছে।

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। মাঠের মধ্যে একটি গভীর নলকূপ এলাকায় সেখানে উনি (আবু সাঈদ) একাই পাহারাদার হিসেবে থাকতেন। মাঠে এসে দেখা যায়Ñ মরদেহের হাত-পা বাঁধা, গলায় হালকা আঘাতের চিহ্ন আছে, নাক দিয়ে রক্ত বের হয়েছে। এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য আমরা উদঘাটন করব এবং প্রকৃত আসামিকে খুঁজে বের করা হবে।