ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

পরিচ্ছন্নতার পরও কেন শহরে নোংরা থাকছে— জানালেন ডিএনসিসি প্রশাসক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৭৭ বার দেখা হয়েছে

পরিচ্ছন্নতার পরও শহরের বিভিন্ন স্থান নোংরা হয়ে থাকার কারণ জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। তিনি বলেন, অননুমোদিতভাবে ফুটপাত দখল করে বাজার বসানোর কারণে শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

শনিবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রজেক্টের সন্ধ্যামালতী প্লেইং ফিল্ডে অনুষ্ঠিত স্পোগোমি (ময়লা কুড়ানোর প্রতিযোগিতা) কোয়ালিফায়ারের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।

মোহাম্মদ এজাজ বলেন, আমরা সারারাত শহরের আবর্জনা পরিষ্কার করি কিন্তু দেখা যায় নাগরিক অসচেতনতার জন্য দুপুরের আগেই আবার শহর নোংরা হয়ে যায়। নাগরিক সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া শহর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আমরা কমিউনিটি পার্টিসিপেশনের (শহরের সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের) মাধ্যমে শহর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চাই। শহরের সব শ্রেণির মানুষের সচেতনতা ছাড়া শহর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়।

ডিএনসিসি থেকে জানানো হয়, স্পোগোমি প্রতিযোগিতায় ৭০টি দলের হয়ে ২১০ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। তারা ১ ঘণ্টা ধরে উত্তরা সেক্টর-১৮ এলাকায় ঘুরে ময়লা সংগ্রহ করেন এবং পরের ২০ মিনিটে ময়লাগুলো আলাদা ক্যাটাগরিতে ভাগ করেন।

ক্যাটাগরি অনুযায়ী আবর্জনার ওজনের ভিত্তিতে প্রতিযোগিতার পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়। যেমন- সিগারেটের প্যাকেট প্রতি কেজিতে ৩,০০০ পয়েন্ট এবং সিঙ্গেল-ইউজ পলিথিন প্রতি কেজিতে ১০ পয়েন্ট ধরা হয়।

ফাইনালে অংশ নেওয়া ৭০ দলের মধ্যে সর্বোচ্চ পয়েন্ট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে টিম ইকো ফাইটার্স। এই দলের সদস্যরা হলেন- মো. ইমরান হোসেন, মো. জুবায়ের শেখ ও মো. তানভীর। তারা ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী।

বিজয়ী দলের ওই তিন সদস্য আগামী অক্টোবরে জাপানে অনুষ্ঠাতব্য ‘২য় স্পোগোমি ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৫’ এ বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন।

পরিচ্ছন্নতার পরও কেন শহরে নোংরা থাকছে— জানালেন ডিএনসিসি প্রশাসক

প্রকাশিত : ০৬:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

পরিচ্ছন্নতার পরও শহরের বিভিন্ন স্থান নোংরা হয়ে থাকার কারণ জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। তিনি বলেন, অননুমোদিতভাবে ফুটপাত দখল করে বাজার বসানোর কারণে শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

শনিবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রজেক্টের সন্ধ্যামালতী প্লেইং ফিল্ডে অনুষ্ঠিত স্পোগোমি (ময়লা কুড়ানোর প্রতিযোগিতা) কোয়ালিফায়ারের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।

মোহাম্মদ এজাজ বলেন, আমরা সারারাত শহরের আবর্জনা পরিষ্কার করি কিন্তু দেখা যায় নাগরিক অসচেতনতার জন্য দুপুরের আগেই আবার শহর নোংরা হয়ে যায়। নাগরিক সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া শহর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, আমরা কমিউনিটি পার্টিসিপেশনের (শহরের সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের) মাধ্যমে শহর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চাই। শহরের সব শ্রেণির মানুষের সচেতনতা ছাড়া শহর পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়।

ডিএনসিসি থেকে জানানো হয়, স্পোগোমি প্রতিযোগিতায় ৭০টি দলের হয়ে ২১০ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। তারা ১ ঘণ্টা ধরে উত্তরা সেক্টর-১৮ এলাকায় ঘুরে ময়লা সংগ্রহ করেন এবং পরের ২০ মিনিটে ময়লাগুলো আলাদা ক্যাটাগরিতে ভাগ করেন।

ক্যাটাগরি অনুযায়ী আবর্জনার ওজনের ভিত্তিতে প্রতিযোগিতার পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়। যেমন- সিগারেটের প্যাকেট প্রতি কেজিতে ৩,০০০ পয়েন্ট এবং সিঙ্গেল-ইউজ পলিথিন প্রতি কেজিতে ১০ পয়েন্ট ধরা হয়।

ফাইনালে অংশ নেওয়া ৭০ দলের মধ্যে সর্বোচ্চ পয়েন্ট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে টিম ইকো ফাইটার্স। এই দলের সদস্যরা হলেন- মো. ইমরান হোসেন, মো. জুবায়ের শেখ ও মো. তানভীর। তারা ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী।

বিজয়ী দলের ওই তিন সদস্য আগামী অক্টোবরে জাপানে অনুষ্ঠাতব্য ‘২য় স্পোগোমি ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৫’ এ বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন।