ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

অ্যাভাটার থ্রি মুক্তির এক মাসে আয় ১৬ হাজার কোটি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:৪৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

বক্স অফিসে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে জেমস ক্যামেরনের সাড়া জাগানো সিনেমা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। গত ২০ ডিসেম্বর মুক্তির পর মাত্র এক মাস পার হওয়ার আগেই আয়ের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। বিশ্বজুড়ে সিনেমাটির মোট আয় এখন ১৩১ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি (১৬ হাজার ১২ কোটি টাকা)।

মুক্তির প্রথম সপ্তাহ থেকেই দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল ‘অ্যাভাটার থ্রি’। উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে টানা পাঁচ সপ্তাহ ধরে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সিনেমাটি। গত সপ্তাহান্তের তিন দিনে ১ কোটি ৩৩ লাখ এবং পরে চার দিনের লম্বা ছুটিতে এটি আয় করেছে ১ কোটি ৭২ লাখ ডলার। চলতি জানুয়ারিতে বড় কোনো প্রতিযোগী না থাকায় অনেকটা একক আধিপত্য বজায় রেখেছে সিনেমাটি।

জেমস ক্যামেরনের এই নতুন অ্যাডভেঞ্চার এখন পর্যন্ত উত্তর আমেরিকায় ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার আয় করেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজার মিলিয়ে এর দাপট আরও বেশি। এক মাস না পেরোতেই এটি ১৩১ কোটি ডলারের ক্লাবে ঢুকে পড়েছে। বিশেষ করে উত্তর আমেরিকা, চীন এবং ইউরোপের দেশগুলোতে সিনেমাটি অভাবনীয় ব্যবসা করছে।

বক্স অফিসে দাপট দেখালেও ২০০৯ সালের ‘অ্যাভাটার’ ও ২০২২ সালের ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’-এর তুলনায় এই সিনেমাটির আয়ের গতি কিছুটা কম বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির আগের কিস্তি দুটি যথাক্রমে ২৯০ কোটি ও ২২৩ কোটি ডলার আয় করে ইতিহাসের সফলতম সিনেমা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

প্যান্ডোরা গ্রহের নতুন রহস্য আর নাভিদের জীবনযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি দর্শকদের পাশাপাশি সমালোচকদেরও প্রশংসা কুড়িয়েছে। উন্নত মানের ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস (VFX) এবং সিনেমাটোগ্রাফি এই বিপুল আয়ের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, দর্শকদের ইতিবাচক সাড়াই ‘অ্যাভাটার থ্রি’-কে সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্তর্জাতিক মহলের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ নেতা তারেক রহমান: হুমায়ূন কবির

অ্যাভাটার থ্রি মুক্তির এক মাসে আয় ১৬ হাজার কোটি

প্রকাশিত : ১০:৪৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

বক্স অফিসে রীতিমতো তাণ্ডব চালাচ্ছে জেমস ক্যামেরনের সাড়া জাগানো সিনেমা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। গত ২০ ডিসেম্বর মুক্তির পর মাত্র এক মাস পার হওয়ার আগেই আয়ের নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। বিশ্বজুড়ে সিনেমাটির মোট আয় এখন ১৩১ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি (১৬ হাজার ১২ কোটি টাকা)।

মুক্তির প্রথম সপ্তাহ থেকেই দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল ‘অ্যাভাটার থ্রি’। উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে টানা পাঁচ সপ্তাহ ধরে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে সিনেমাটি। গত সপ্তাহান্তের তিন দিনে ১ কোটি ৩৩ লাখ এবং পরে চার দিনের লম্বা ছুটিতে এটি আয় করেছে ১ কোটি ৭২ লাখ ডলার। চলতি জানুয়ারিতে বড় কোনো প্রতিযোগী না থাকায় অনেকটা একক আধিপত্য বজায় রেখেছে সিনেমাটি।

জেমস ক্যামেরনের এই নতুন অ্যাডভেঞ্চার এখন পর্যন্ত উত্তর আমেরিকায় ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার আয় করেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজার মিলিয়ে এর দাপট আরও বেশি। এক মাস না পেরোতেই এটি ১৩১ কোটি ডলারের ক্লাবে ঢুকে পড়েছে। বিশেষ করে উত্তর আমেরিকা, চীন এবং ইউরোপের দেশগুলোতে সিনেমাটি অভাবনীয় ব্যবসা করছে।

বক্স অফিসে দাপট দেখালেও ২০০৯ সালের ‘অ্যাভাটার’ ও ২০২২ সালের ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’-এর তুলনায় এই সিনেমাটির আয়ের গতি কিছুটা কম বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির আগের কিস্তি দুটি যথাক্রমে ২৯০ কোটি ও ২২৩ কোটি ডলার আয় করে ইতিহাসের সফলতম সিনেমা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

প্যান্ডোরা গ্রহের নতুন রহস্য আর নাভিদের জীবনযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত এই সিনেমাটি দর্শকদের পাশাপাশি সমালোচকদেরও প্রশংসা কুড়িয়েছে। উন্নত মানের ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস (VFX) এবং সিনেমাটোগ্রাফি এই বিপুল আয়ের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, দর্শকদের ইতিবাচক সাড়াই ‘অ্যাভাটার থ্রি’-কে সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে গেছে।