ঢাকা ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

অযথা স্ত্রীর ওপর চিৎকার করা উচিত নয় : রানি মুখার্জি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:২১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২১৮ বার দেখা হয়েছে

বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জি বরাবরই স্পষ্টভাষী। পর্দায় যেমন শক্তিশালী চরিত্রে তাকে দেখা যায়, ব্যক্তিজীবনেও তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে লিঙ্গ বৈষম্য ও পারিবারিক মূল্যবোধ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রানি জানালেন, সামাজিক শিক্ষার আঁতুড়ঘর হলো নিজের বাড়ি।

রানির মতে, একজন নারী সমাজে কতটা সম্মান পাবেন, তা নির্ভর করে সেই পরিবারের পুরুষদের আচরণের ওপর। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি সম্মান শুরু হয় নিজের ঘর থেকেই। যখন একজন ছেলে তার বাবার কাছে তার মায়ের প্রতি খারাপ আচরণ করতে দেখে, তখন তার মনে এই ধারণা তৈরি হয় যে মায়ের সঙ্গে যদি এমনটা করা যায়, তবে প্রতিটি মেয়ের সঙ্গেই এমন ব্যবহার করা সম্ভব।’

পুরুষদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রানি আরও যোগ করেন, ‘বাড়িতে স্ত্রীদের সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হয়, তার জন্য পুরুষরাই দায়ী। কারণ ছেলেরা এই পরিবেশ দেখেই বড় হয়। যদি পরিবারে মাকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়, তবেই একটি ছেলে বুঝতে পারবে সমাজে নারীদের মর্যাদা কতটুকু।’

পারিবারিক কলহ এবং উচ্চবাচ্য নিয়ে রানি বলেন, ‘সব শিক্ষার শুরু আসলে ঘর থেকেই। একজন পুরুষের কখনই তার স্ত্রীর ওপর অযথা চিৎকার করা উচিত নয়। বরং একজন নারীরই উচিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিজের কণ্ঠ ছাড়া।’

স্কুল জীবনের স্মৃতিচারণ করে রানি বলেন, ‘স্কুল জীবনে আমি কেবল একটি ছেলেকেই চড় মেরেছিলাম, বাকিরা সবাই আমার বন্ধু ছিল। এসব শুনে আবার আমার স্বামীকে (আদিত্য চোপড়া) জিজ্ঞাসা করতে যেও না যে, বাড়িতে প্রতিদিন আমার সঙ্গে ঠিক কী হয়।’

 

জনপ্রিয় সংবাদ

অযথা স্ত্রীর ওপর চিৎকার করা উচিত নয় : রানি মুখার্জি

প্রকাশিত : ০৮:২১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

বলিউড অভিনেত্রী রানি মুখার্জি বরাবরই স্পষ্টভাষী। পর্দায় যেমন শক্তিশালী চরিত্রে তাকে দেখা যায়, ব্যক্তিজীবনেও তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে লিঙ্গ বৈষম্য ও পারিবারিক মূল্যবোধ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রানি জানালেন, সামাজিক শিক্ষার আঁতুড়ঘর হলো নিজের বাড়ি।

রানির মতে, একজন নারী সমাজে কতটা সম্মান পাবেন, তা নির্ভর করে সেই পরিবারের পুরুষদের আচরণের ওপর। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি সম্মান শুরু হয় নিজের ঘর থেকেই। যখন একজন ছেলে তার বাবার কাছে তার মায়ের প্রতি খারাপ আচরণ করতে দেখে, তখন তার মনে এই ধারণা তৈরি হয় যে মায়ের সঙ্গে যদি এমনটা করা যায়, তবে প্রতিটি মেয়ের সঙ্গেই এমন ব্যবহার করা সম্ভব।’

পুরুষদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রানি আরও যোগ করেন, ‘বাড়িতে স্ত্রীদের সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হয়, তার জন্য পুরুষরাই দায়ী। কারণ ছেলেরা এই পরিবেশ দেখেই বড় হয়। যদি পরিবারে মাকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়, তবেই একটি ছেলে বুঝতে পারবে সমাজে নারীদের মর্যাদা কতটুকু।’

পারিবারিক কলহ এবং উচ্চবাচ্য নিয়ে রানি বলেন, ‘সব শিক্ষার শুরু আসলে ঘর থেকেই। একজন পুরুষের কখনই তার স্ত্রীর ওপর অযথা চিৎকার করা উচিত নয়। বরং একজন নারীরই উচিত অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিজের কণ্ঠ ছাড়া।’

স্কুল জীবনের স্মৃতিচারণ করে রানি বলেন, ‘স্কুল জীবনে আমি কেবল একটি ছেলেকেই চড় মেরেছিলাম, বাকিরা সবাই আমার বন্ধু ছিল। এসব শুনে আবার আমার স্বামীকে (আদিত্য চোপড়া) জিজ্ঞাসা করতে যেও না যে, বাড়িতে প্রতিদিন আমার সঙ্গে ঠিক কী হয়।’