ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রোজা-ঈদে বন্ধ ২৬ দিন,প্রাথমিকে বছরে ৬৭ দিন ছুটি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:০৬:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

২০২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি সংশোধন করে প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন এই তালিকা অনুযায়ী, সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্রবার ও শনিবার) ব্যতীত বছরে মোট ছুটি থাকবে ৬৭ দিন। এর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ ছুটি রাখা হয়েছে পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে; যা ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৬ মার্চ পর্যন্ত অর্থাৎ টানা ২৬ দিন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-১ অধিশাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সংশোধিত তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব রেবেকা সুলতানার সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ শুরু হবে ১ জানুয়ারি থেকে এবং শেষ হবে ৩১ ডিসেম্বর। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়ন ও পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বছরের শুরুতেই এই ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত হবে ৫ মে থেকে ১৭ মে পর্যন্ত। দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন ১৭ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট এবং তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন ১ ডিসেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এ ছাড়া প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ডিসেম্বরের ২০ তারিখ থেকে ২৩ তারিখের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক ফলাফল প্রকাশ করা হবে ৩১ ডিসেম্বর।

এ বছর দীর্ঘতম ছুটি থাকছে পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত টানা ২৬ দিনের ছুটি বরাদ্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষ্যে ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ১০ দিন এবং দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ১৮ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ৫ দিন ছুটি থাকবে। বছরের শেষে ২০ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিন ও শীতকালীন অবকাশের জন্য ৮ দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যান্য ছুটির মধ্যে রয়েছে– মাঘী পূর্ণিমা (১ ফেব্রুয়ারি), শবে বরাত (৪ ফেব্রুয়ারি), শিবরাত্রি ব্রত (১৫ ফেব্রুয়ারি), ইস্টার সানডে (৫ এপ্রিল), বৈসাবি উৎসব (১২ এপ্রিল), চৈত্র সংক্রান্তি (১৩ এপ্রিল), বাংলা নববর্ষ (১৪ এপ্রিল), আষাঢ়ী পূর্ণিমা (২৯ জুলাই), জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস (৫ আগস্ট), আখেরি চাহার সোম্বা (১২ আগস্ট), ঈদে মিলাদুন্নবী (২৬ আগস্ট), ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম (২৪ সেপ্টেম্বর), শ্যামাপূজা (২৫ অক্টোবর) এবং বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর)।

প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন বা সংবর্ধনা উপলক্ষ্যে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া যাবে না। এমনকি সংবর্ধিত ব্যক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানোও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে ভর্তি কার্যক্রম বা অন্য পরীক্ষার প্রয়োজনে ছুটির দিনেও বিদ্যালয় খোলা রাখা যাবে। জাতীয় দিবসগুলো (২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর ও বাংলা নববর্ষ) সব বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোজা-ঈদে বন্ধ ২৬ দিন,প্রাথমিকে বছরে ৬৭ দিন ছুটি

রোজা-ঈদে বন্ধ ২৬ দিন,প্রাথমিকে বছরে ৬৭ দিন ছুটি

প্রকাশিত : ১২:০৬:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি সংশোধন করে প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন এই তালিকা অনুযায়ী, সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্রবার ও শনিবার) ব্যতীত বছরে মোট ছুটি থাকবে ৬৭ দিন। এর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ ছুটি রাখা হয়েছে পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে; যা ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৬ মার্চ পর্যন্ত অর্থাৎ টানা ২৬ দিন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-১ অধিশাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সংশোধিত তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব রেবেকা সুলতানার সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ শুরু হবে ১ জানুয়ারি থেকে এবং শেষ হবে ৩১ ডিসেম্বর। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়ন ও পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বছরের শুরুতেই এই ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের প্রথম প্রান্তিক মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত হবে ৫ মে থেকে ১৭ মে পর্যন্ত। দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন ১৭ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট এবং তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন ১ ডিসেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এ ছাড়া প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ডিসেম্বরের ২০ তারিখ থেকে ২৩ তারিখের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক ফলাফল প্রকাশ করা হবে ৩১ ডিসেম্বর।

এ বছর দীর্ঘতম ছুটি থাকছে পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত টানা ২৬ দিনের ছুটি বরাদ্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষ্যে ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ১০ দিন এবং দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে ১৮ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ৫ দিন ছুটি থাকবে। বছরের শেষে ২০ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিন ও শীতকালীন অবকাশের জন্য ৮ দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যান্য ছুটির মধ্যে রয়েছে– মাঘী পূর্ণিমা (১ ফেব্রুয়ারি), শবে বরাত (৪ ফেব্রুয়ারি), শিবরাত্রি ব্রত (১৫ ফেব্রুয়ারি), ইস্টার সানডে (৫ এপ্রিল), বৈসাবি উৎসব (১২ এপ্রিল), চৈত্র সংক্রান্তি (১৩ এপ্রিল), বাংলা নববর্ষ (১৪ এপ্রিল), আষাঢ়ী পূর্ণিমা (২৯ জুলাই), জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস (৫ আগস্ট), আখেরি চাহার সোম্বা (১২ আগস্ট), ঈদে মিলাদুন্নবী (২৬ আগস্ট), ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম (২৪ সেপ্টেম্বর), শ্যামাপূজা (২৫ অক্টোবর) এবং বিজয় দিবস (১৬ ডিসেম্বর)।

প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন বা সংবর্ধনা উপলক্ষ্যে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া যাবে না। এমনকি সংবর্ধিত ব্যক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানোও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে ভর্তি কার্যক্রম বা অন্য পরীক্ষার প্রয়োজনে ছুটির দিনেও বিদ্যালয় খোলা রাখা যাবে। জাতীয় দিবসগুলো (২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর ও বাংলা নববর্ষ) সব বিদ্যালয়ে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।