আজারবাইজানের একটি বিমানবন্দর ও স্কুলের কাছে ইরান ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দেশটির সরকার। বৃহস্পতিবারের এই হামলায় অন্তত চারজন আহত হওয়ার পর তেহরানকে কঠোর প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ।
নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে আলিয়েভ বলেছেন, আজ ইরান থেকে আজারবাইজানের ভূখণ্ডে এক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়েছে। আজারবাইজানের সামরিক বাহিনীকে ‘প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা’ নেওয়ার এবং সেনাবাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই হামলার প্রতিশোধে যেকোনও মুহূর্তে ইরানে অভিযান চালানো হতে পারে।

এদিকে, ড্রোন হামলার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান আজারবাইজানের দিকে কোনও ড্রোন ছোড়েনি।’’ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ওই বিবৃতিতে এই ঘটনার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করে বলা হয়েছে, ‘‘মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নষ্ট করতে ইহুদিবাদী গোষ্ঠীর এ ধরনের পদক্ষেপ নতুন কিছু নয়।’’
আজারবাইজানের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েল তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তেহরানে হামলা চালাতে পারে বলে দীর্ঘদিন ধরে আশঙ্কা প্রকাশ করে আসছে ইরান। যদিও গত জুনে আজারবাইজানের ভূখণ্ড ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে তেহরানকে আশ্বস্ত করেছিল বাকু। এছাড়া ইরানের মোট জনসংখ্যার বড় অংশ (প্রায় ১ কোটি) জাতিগতভাবে আজারবাইজানি হওয়ায় তেহরান সব সময় সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব নিয়ে সতর্ক থাকে।

ডেস্ক রিপোর্ট 























