ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সিনেমায় আসছে ইতালির ‘২৭ দিনের রানি’র গল্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:০২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

১৯৪৬ সালের ৯ মে থেকে ২ জুন-মাত্র ২৭ দিনের জন্য তিনি ইতালির রানি ছিলেন। এ জন্য ইতিহাস তাকে মনে রেখেছে ‘মে কুইন’ হিসেবে। তিনি মারিয়া হোসে। বেলজিয়ামের রাজা প্রথম আলবার্টের কন্যা এবং ইতালির যুবরাজ দ্বিতীয় উমবের্তোর স্ত্রী।

সেই মারিয়ার গল্প এবার আসছে সিনেমার পর্দায়। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে নির্মিতব্য ছবিটির নাম ‘মেইস্তা’। বানাবেন জিনেভ্রা এল্কান। তার সঙ্গে যৌথভাবে চিত্রনাট্য লিখবেন ইতালির খ্যাতিমান নির্মাতা মার্কো বেলোচিও। খবর ভ্যারাইটির।

রাজতন্ত্র থাকাকালীন ১৯৪৬-এর ৯ জুন উমবের্তোকে মসনদে বসায় তার পরিবার। সেই সুবাদে রানির মর্যাদা পান মারিয়া। কিন্তু মাত্র ২৭ দিন পরই অনুষ্ঠিত গণভোটে ইতালির জনগণ রাজতন্ত্র বিলুপ্তির পক্ষে ভোট দেয়। বাধ্য হয়ে দেশ ছাড়ে রাজপরিবার। ওই প্রেক্ষাপটের সঙ্গে ইতালির ফ্যাসিবাদী অধ্যায়ের নানা দিকও উঠে আসবে ছবিতে।

জানা যায়, মারিয়া হোসে ছিলেন শিক্ষিত, আধুনিক ও ফ্যাসিবাদবিরোধী চিন্তার মানুষ। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, যুদ্ধের পর ইতালিতে রাজতন্ত্রের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। তাই তার অবস্থান ছিল সাধারণ মানুষের সমর্থনে।

পরিচালক জিনেভ্রা এলকান বলেন, ‘ছবিটি ১৯৪৬ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ কয়েক সপ্তাহের ঘটনা তুলে ধরবে, যখন মারিয়া হোসে একদিকে রানির দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, অন্যদিকে নিজের চোখে একটি যুগের অবসানও দেখেছিলেন।’

ডিমলায় এনসিপির কমিটিতে আহ্বায়ক শাহ আজিজুর ও সদস্য সচিব রাশেদ

সিনেমায় আসছে ইতালির ‘২৭ দিনের রানি’র গল্প

প্রকাশিত : ০৮:০২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

১৯৪৬ সালের ৯ মে থেকে ২ জুন-মাত্র ২৭ দিনের জন্য তিনি ইতালির রানি ছিলেন। এ জন্য ইতিহাস তাকে মনে রেখেছে ‘মে কুইন’ হিসেবে। তিনি মারিয়া হোসে। বেলজিয়ামের রাজা প্রথম আলবার্টের কন্যা এবং ইতালির যুবরাজ দ্বিতীয় উমবের্তোর স্ত্রী।

সেই মারিয়ার গল্প এবার আসছে সিনেমার পর্দায়। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে নির্মিতব্য ছবিটির নাম ‘মেইস্তা’। বানাবেন জিনেভ্রা এল্কান। তার সঙ্গে যৌথভাবে চিত্রনাট্য লিখবেন ইতালির খ্যাতিমান নির্মাতা মার্কো বেলোচিও। খবর ভ্যারাইটির।

রাজতন্ত্র থাকাকালীন ১৯৪৬-এর ৯ জুন উমবের্তোকে মসনদে বসায় তার পরিবার। সেই সুবাদে রানির মর্যাদা পান মারিয়া। কিন্তু মাত্র ২৭ দিন পরই অনুষ্ঠিত গণভোটে ইতালির জনগণ রাজতন্ত্র বিলুপ্তির পক্ষে ভোট দেয়। বাধ্য হয়ে দেশ ছাড়ে রাজপরিবার। ওই প্রেক্ষাপটের সঙ্গে ইতালির ফ্যাসিবাদী অধ্যায়ের নানা দিকও উঠে আসবে ছবিতে।

জানা যায়, মারিয়া হোসে ছিলেন শিক্ষিত, আধুনিক ও ফ্যাসিবাদবিরোধী চিন্তার মানুষ। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, যুদ্ধের পর ইতালিতে রাজতন্ত্রের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। তাই তার অবস্থান ছিল সাধারণ মানুষের সমর্থনে।

পরিচালক জিনেভ্রা এলকান বলেন, ‘ছবিটি ১৯৪৬ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ কয়েক সপ্তাহের ঘটনা তুলে ধরবে, যখন মারিয়া হোসে একদিকে রানির দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, অন্যদিকে নিজের চোখে একটি যুগের অবসানও দেখেছিলেন।’