ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় উদ্ধার অভিযান চলছে, এখনো নিখোঁজ হাজার হাজার মানুষ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৪:৩২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ৮৩ বার দেখা হয়েছে

ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর অব্যাহতভাবে টানা তিনদিন ধরে উদ্ধার অভিযান চলছে। তা সত্ত্বেও এখনো হাজার হাজার মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির রাজধানী কারাকাসের লা গুইরা। ভূমিকম্প কতটা শক্তিশালী ছিল সেটির প্রমাণ শহরটি।

লা গুইরার প্রায় বেশিরভাগ ভবন ভেঙে পড়ে আছে। সেখানকার রাস্তাঘাঁটে ফাটল ধরা পড়েছে। এছাড়া একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লক দুই ভাগ হয়ে গেছে।

যে পরিমাণ ধ্বংস হয়েছে সে তুলনায় উদ্ধারকারীর সংখ্যা কম। এ কারণে প্রিয়জনদের উদ্ধার করতে সাধারণ মানুষই নিজ হাতে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, সেখানে প্রায় ১০০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেসব ভারী যন্ত্রাংশ দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে ধ্বংসযজ্ঞের তুলনায় তার অপ্রতুল।

ভূমিকম্পের পর ৭২ ঘণ্টার গোল্ডেন সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পর এখন কাউকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে আসছে কিন্তু উদ্ধারকারীরা এখনো আত্মবিশ্বাসী এবং বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছেন।

এখন তাদের সবচেয়ে কঠিন কাজ হবে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মরদেহগুলো উদ্ধার করা। লা গুইরাতে প্রায় ১৪ হাজার সেনা সদস্যকে মোতায়েন করেছে ভেনেজুয়েলার সরকার।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেনেজুয়েলায় উদ্ধার অভিযান চলছে, এখনো নিখোঁজ হাজার হাজার মানুষ

প্রকাশিত : ০৪:৩২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর অব্যাহতভাবে টানা তিনদিন ধরে উদ্ধার অভিযান চলছে। তা সত্ত্বেও এখনো হাজার হাজার মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির রাজধানী কারাকাসের লা গুইরা। ভূমিকম্প কতটা শক্তিশালী ছিল সেটির প্রমাণ শহরটি।

লা গুইরার প্রায় বেশিরভাগ ভবন ভেঙে পড়ে আছে। সেখানকার রাস্তাঘাঁটে ফাটল ধরা পড়েছে। এছাড়া একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লক দুই ভাগ হয়ে গেছে।

যে পরিমাণ ধ্বংস হয়েছে সে তুলনায় উদ্ধারকারীর সংখ্যা কম। এ কারণে প্রিয়জনদের উদ্ধার করতে সাধারণ মানুষই নিজ হাতে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, সেখানে প্রায় ১০০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেসব ভারী যন্ত্রাংশ দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে ধ্বংসযজ্ঞের তুলনায় তার অপ্রতুল।

ভূমিকম্পের পর ৭২ ঘণ্টার গোল্ডেন সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পর এখন কাউকে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা কমে আসছে কিন্তু উদ্ধারকারীরা এখনো আত্মবিশ্বাসী এবং বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছেন।

এখন তাদের সবচেয়ে কঠিন কাজ হবে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মরদেহগুলো উদ্ধার করা। লা গুইরাতে প্রায় ১৪ হাজার সেনা সদস্যকে মোতায়েন করেছে ভেনেজুয়েলার সরকার।