ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় গণমাধ্যমের সক্ষমতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:০৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলগুলোর একটি পটুয়াখালী। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের মতো নানা সংকটের সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করছেন এ অঞ্চলের মানুষ। এসব ঝুঁকি ও এর প্রভাব সাধারণ মানুষের কাছে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরতে পটুয়াখালীতে শুরু হয়েছে সাংবাদিকদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা।
‘বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে গণমাধ্যমের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট।
শুক্রবার সকাল ১০টায় পটুয়াখালীর কোডেক সেন্টার মিলনায়তনে কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা।
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহাম্মদ হিরুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্প পরিচালক মারুফ নেওয়াজ।
কর্মশালায় পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ২৫ জন সাংবাদিক অংশ নিচ্ছেন। রোববার বিকেলে তিন দিনের এ কর্মশালা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
কর্মশালার উদ্বোধনী বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল—জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, মৎস্য, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতিতে যে পরিবর্তন ঘটছে, তা শুধু দুর্যোগের সময় নয়, নিয়মিতভাবে মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে।

বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাদের জীবনে তৈরি হওয়া সংকট এবং স্থানীয়ভাবে ঝুঁকি মোকাবিলায় নেওয়া উদ্যোগগুলো গণমাধ্যমে আরও বেশি গুরুত্ব পাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি সাংবাদিকদের জলবায়ু বিষয়ে তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরিতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহাম্মদ হিরুজ্জামানও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সাংবাদিকদের জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর শুধু পরিবেশের বিষয় নয়; এর সঙ্গে মানুষের জীবন-জীবিকা, খাদ্যনিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা সরাসরি জড়িত। ফলে এ বিষয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে তথ্যের যথার্থতা, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এবং স্থানীয় মানুষের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তাঁর বক্তব্যে জলবায়ু পরিবর্তনের বিভিন্ন দিককে সহজ ভাষায় মানুষের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়িয়ে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কর্মশালার স্বাগত বক্তব্যে প্রকল্প পরিচালক মারুফ নেওয়াজ জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সাংবাদিকতার পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সংবাদ বলতে শুধু ঘূর্ণিঝড়, বন্যা বা নদীভাঙনের খবর বোঝালে হবে না। এর সঙ্গে মানুষের অভিযোজন, স্থানীয় উদ্ভাবন, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ এবং জলবায়ু সহনশীলতা তৈরির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডও সংবাদে উঠে আসা প্রয়োজন।
তাঁর মতে, মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকদের সরেজমিন অনুসন্ধান এবং তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জেলা পটুয়াখালী। বঙ্গোপসাগরের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে প্রতিবছরই কোনো না কোনোভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব পড়ে এ জেলার ওপর।
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পাশাপাশি নদীভাঙন, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির আশঙ্কা এ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রাকে ক্রমেই প্রভাবিত করছে। কৃষক, জেলে, উপকূলের নিম্নআয়ের মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে এসব পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হচ্ছে।
এ অবস্থায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই পটুয়াখালীতে সাংবাদিকদের জন্য এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
তিন দিনের এ কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু সহনশীলতা, উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের অভিযোজনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের তথ্য সংগ্রহ, নির্ভরযোগ্য উৎস ব্যবহার, তথ্য বিশ্লেষণ এবং সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরির বিষয়গুলোও প্রশিক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে থাকছে।
এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে কীভাবে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরি করা যায় এবং একটি স্থানীয় সমস্যাকে কীভাবে জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত করা যায়, সে বিষয়েও সাংবাদিকদের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আয়োজকেরা মনে করছেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জলবায়ু বিষয়ক প্রতিবেদন তৈরির সক্ষমতা বাড়বে। এর ফলে পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু সংকট, মানুষের দুর্ভোগ এবং সম্ভাব্য সমাধানের বিষয়গুলো আরও কার্যকরভাবে গণমাধ্যমে উঠে আসবে।
রোববার বিকেলে কর্মশালাটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘আমরা ফটোসেশনের রাজনীতি করি না, ৬ মাসেই সব কাজ শেষ হয় না’—পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় গণমাধ্যমের সক্ষমতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ

প্রকাশিত : ০৬:০৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলগুলোর একটি পটুয়াখালী। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের মতো নানা সংকটের সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করছেন এ অঞ্চলের মানুষ। এসব ঝুঁকি ও এর প্রভাব সাধারণ মানুষের কাছে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরতে পটুয়াখালীতে শুরু হয়েছে সাংবাদিকদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা।
‘বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে গণমাধ্যমের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এ কর্মশালার আয়োজন করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট।
শুক্রবার সকাল ১০টায় পটুয়াখালীর কোডেক সেন্টার মিলনায়তনে কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা।
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহাম্মদ হিরুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকল্প পরিচালক মারুফ নেওয়াজ।
কর্মশালায় পটুয়াখালী জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ২৫ জন সাংবাদিক অংশ নিচ্ছেন। রোববার বিকেলে তিন দিনের এ কর্মশালা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
কর্মশালার উদ্বোধনী বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল—জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, মৎস্য, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও অর্থনীতিতে যে পরিবর্তন ঘটছে, তা শুধু দুর্যোগের সময় নয়, নিয়মিতভাবে মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে।

বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাদের জীবনে তৈরি হওয়া সংকট এবং স্থানীয়ভাবে ঝুঁকি মোকাবিলায় নেওয়া উদ্যোগগুলো গণমাধ্যমে আরও বেশি গুরুত্ব পাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি সাংবাদিকদের জলবায়ু বিষয়ে তথ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরিতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহাম্মদ হিরুজ্জামানও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সাংবাদিকদের জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর শুধু পরিবেশের বিষয় নয়; এর সঙ্গে মানুষের জীবন-জীবিকা, খাদ্যনিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা সরাসরি জড়িত। ফলে এ বিষয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে তথ্যের যথার্থতা, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এবং স্থানীয় মানুষের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তাঁর বক্তব্যে জলবায়ু পরিবর্তনের বিভিন্ন দিককে সহজ ভাষায় মানুষের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়িয়ে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কর্মশালার স্বাগত বক্তব্যে প্রকল্প পরিচালক মারুফ নেওয়াজ জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সাংবাদিকতার পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সংবাদ বলতে শুধু ঘূর্ণিঝড়, বন্যা বা নদীভাঙনের খবর বোঝালে হবে না। এর সঙ্গে মানুষের অভিযোজন, স্থানীয় উদ্ভাবন, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ এবং জলবায়ু সহনশীলতা তৈরির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডও সংবাদে উঠে আসা প্রয়োজন।
তাঁর মতে, মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকদের সরেজমিন অনুসন্ধান এবং তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ জেলা পটুয়াখালী। বঙ্গোপসাগরের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে প্রতিবছরই কোনো না কোনোভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব পড়ে এ জেলার ওপর।
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পাশাপাশি নদীভাঙন, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির আশঙ্কা এ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রাকে ক্রমেই প্রভাবিত করছে। কৃষক, জেলে, উপকূলের নিম্নআয়ের মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে এসব পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হচ্ছে।
এ অবস্থায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই পটুয়াখালীতে সাংবাদিকদের জন্য এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
তিন দিনের এ কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু সহনশীলতা, উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের অভিযোজনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের তথ্য সংগ্রহ, নির্ভরযোগ্য উৎস ব্যবহার, তথ্য বিশ্লেষণ এবং সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরির বিষয়গুলোও প্রশিক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে থাকছে।
এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে কীভাবে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরি করা যায় এবং একটি স্থানীয় সমস্যাকে কীভাবে জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত করা যায়, সে বিষয়েও সাংবাদিকদের দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আয়োজকেরা মনে করছেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জলবায়ু বিষয়ক প্রতিবেদন তৈরির সক্ষমতা বাড়বে। এর ফলে পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু সংকট, মানুষের দুর্ভোগ এবং সম্ভাব্য সমাধানের বিষয়গুলো আরও কার্যকরভাবে গণমাধ্যমে উঠে আসবে।
রোববার বিকেলে কর্মশালাটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।