ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

বরগুনায় ডেঙ্গুর প্রকোপ, মশারি টানতে রোগীদের অনীহা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:০০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ছে, বাড়ছে হাসপাতালে রোগীর চাপও। কিন্তু যে মশার কামড়ে ছড়ায় ডেঙ্গু, সেই মশার কামড় থেকে বাঁচতেই হাসপাতালে অনেক রোগীর মশারি টানাতে অনীহা। ডেঙ্গু ওয়ার্ডে মশারি ছাড়াই শুয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে অনেককে। এতে আক্রান্ত রোগীকে কামড়ানো মশার মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

বরগুনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে নতুন করে ২৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৬২ জন বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে এবং ৭৬ জন পাঁচটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। অন্যদিকে, বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর জন্য নির্ধারিত ৫০টি শয্যার বিপরীতে ভর্তি রয়েছেন ৬৩ জন। এতে নির্ধারিত শয্যাসংখ্যার চেয়ে ১৩ জন বেশি রোগীকে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ড অনেক রোগীকে মশারি ছাড়াই শয্যায় থাকতে দেখা যায়। রোগীর চাপের পাশাপাশি মশারি ব্যবহারে এমন অনীহা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।

তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রেজওয়ানুর আলম বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোনো মশা কামড়ানোর পর সেই মশা অন্য কাউকে কামড়ালে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তাই ডেঙ্গু রোগীদের অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। আমরা রোগীদের মশারী টানিয়ে থাকতে বলার পরও রোগীরা মশারী খুলে রাখেন।

তিনি আরও বলেন, শুধু চিকিৎসা দিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। ঘরের আশপাশ পরিষ্কার রাখা, মশার বংশবিস্তার রোধ করা এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। হাসপাতালেও রোগীদের মশারি ব্যবহারে গুরুত্ব দিতে হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের সতর্কবার্তা স্পষ্ট। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার পাশাপাশি মশার কামড় থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে রোগীর নিজের সচেতনতার পাশাপাশি স্বজনদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের কয়েদি বিএনপি নেতার মৃত্যু

বরগুনায় ডেঙ্গুর প্রকোপ, মশারি টানতে রোগীদের অনীহা

প্রকাশিত : ০৫:০০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ছে, বাড়ছে হাসপাতালে রোগীর চাপও। কিন্তু যে মশার কামড়ে ছড়ায় ডেঙ্গু, সেই মশার কামড় থেকে বাঁচতেই হাসপাতালে অনেক রোগীর মশারি টানাতে অনীহা। ডেঙ্গু ওয়ার্ডে মশারি ছাড়াই শুয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে অনেককে। এতে আক্রান্ত রোগীকে কামড়ানো মশার মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

বরগুনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে নতুন করে ২৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৬২ জন বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে এবং ৭৬ জন পাঁচটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। অন্যদিকে, বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর জন্য নির্ধারিত ৫০টি শয্যার বিপরীতে ভর্তি রয়েছেন ৬৩ জন। এতে নির্ধারিত শয্যাসংখ্যার চেয়ে ১৩ জন বেশি রোগীকে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ড অনেক রোগীকে মশারি ছাড়াই শয্যায় থাকতে দেখা যায়। রোগীর চাপের পাশাপাশি মশারি ব্যবহারে এমন অনীহা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।

তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রেজওয়ানুর আলম বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোনো মশা কামড়ানোর পর সেই মশা অন্য কাউকে কামড়ালে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তাই ডেঙ্গু রোগীদের অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। আমরা রোগীদের মশারী টানিয়ে থাকতে বলার পরও রোগীরা মশারী খুলে রাখেন।

তিনি আরও বলেন, শুধু চিকিৎসা দিয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। ঘরের আশপাশ পরিষ্কার রাখা, মশার বংশবিস্তার রোধ করা এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। হাসপাতালেও রোগীদের মশারি ব্যবহারে গুরুত্ব দিতে হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের সতর্কবার্তা স্পষ্ট। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার পাশাপাশি মশার কামড় থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে রোগীর নিজের সচেতনতার পাশাপাশি স্বজনদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।