মাদারীপুর প্রতিনিধি: আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যানার, ফেস্টুন, প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এরই মধ্যে আলোচনা-সমালোচনাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে নিজের নির্বাচনী প্রত্যাশার কথা জানিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় এসেছেন উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিরাজ হাওলাদার।
সম্প্রতি মুঠোফোনে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও তাঁকে ঘিরে চলমান আলোচনা-সমালোচনা প্রসঙ্গে মিরাজ হাওলাদার বলেন, “আমাকে নিয়ে যত বেশি সমালোচনা হবে, বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে তত বেশি এগিয়ে যাব।”
তিনি বলেন, রাজনীতি কিংবা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা থাকলে আলোচনা-সমালোচনা থাকবেই। তবে এসব সমালোচনায় বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। বরং সমালোচনাকে নিজের ভুলত্রুটি সংশোধন এবং জনগণের আরও কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি। নেতিবাচক মন্তব্য তাঁকে থামিয়ে দিতে পারবে না; বরং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে এবং নিজের অবস্থান তুলে ধরতে আরও উৎসাহিত করবে।
তিনি আরও বলেন, তাঁকে নিয়ে অনেকে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ায় তাঁকে ঘিরে এমন আলোচনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। তবে কে কী বলছেন, সেদিকে গুরুত্ব না দিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকাকেই প্রাধান্য দিতে চান।
এদিকে মিরাজ হাওলাদার সম্পর্কে মিয়ারহাটের বাসিন্দা মো. বেলায়েত মৃধা বলেন, “মিরাজ হাওলাদার এমন একজন মানুষ, যাঁর সঙ্গে যাঁরা মিশেছেন কিংবা কথা বলেছেন, তাঁরা তাঁর সম্পর্কে ভালো বলতে পারবেন। তিনি একজন সৎ মানুষ, বিপদের বন্ধু এবং গরিব-দুঃখী মানুষের আত্মার আত্মীয়।”
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মিরাজ হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরে কালকিনি উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে স্থানীয় তরুণ ও সাধারণ মানুষের একটি অংশের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ তৈরি হয়েছে।
নিজের নির্বাচনী পরিকল্পনা সম্পর্কে মিরাজ হাওলাদার জানান, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে গিয়ে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন। দলমত-নির্বিশেষে কালকিনির উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাকে তিনি অগ্রাধিকার দিতে চান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলে ভোটাররা তাঁকে মূল্যায়ন করবেন। জনগণের সমর্থন পেলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কাজ করতে চান বলেও জানান তিনি।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















