ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

বরগুনার আমতলীতে আগুনের তাণ্ডব, পুড়ে ছাই চার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:৫৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলী পৌর শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে পৌর শহরের সরকারি কলেজ সংলগ্ন সদর রোডে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সদর রোডের বাহার লাইব্রেরি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পার্শ্ববর্তী দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে চারটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো,বাহার লাইব্রেরি, মিলন গার্মেন্টস, নুরুল আমিনের কসমেটিকসের দোকান এবং সুখরঞ্জন শীলের সেলুন।

বাহার লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী মো. খলিলুর রহমান বলেন, সকালে দোকান খুলে পাশের একটি দোকানে চা খেতে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে দেখেন তার দোকানে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।

ক্ষতিগ্রস্ত কসমেটিকস ব্যবসায়ী নুরুল আমিন বলেন, আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দেখি তার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে তার প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

আমতলী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. মাহবুব হোসেন বলেন, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। প্রাথমিকভাবে আগুনের সঠিক কারণ জানা যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপিসহ ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তবে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয়রা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করে সরকারি সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বরগুনার আমতলীতে আগুনের তাণ্ডব, পুড়ে ছাই চার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

বরগুনার আমতলীতে আগুনের তাণ্ডব, পুড়ে ছাই চার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত : ০৭:৫৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনার আমতলী পৌর শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে পৌর শহরের সরকারি কলেজ সংলগ্ন সদর রোডে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সদর রোডের বাহার লাইব্রেরি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পার্শ্ববর্তী দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে চারটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো,বাহার লাইব্রেরি, মিলন গার্মেন্টস, নুরুল আমিনের কসমেটিকসের দোকান এবং সুখরঞ্জন শীলের সেলুন।

বাহার লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী মো. খলিলুর রহমান বলেন, সকালে দোকান খুলে পাশের একটি দোকানে চা খেতে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে দেখেন তার দোকানে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।

ক্ষতিগ্রস্ত কসমেটিকস ব্যবসায়ী নুরুল আমিন বলেন, আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দেখি তার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে তার প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

আমতলী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. মাহবুব হোসেন বলেন, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। প্রাথমিকভাবে আগুনের সঠিক কারণ জানা যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপিসহ ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তবে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয়রা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করে সরকারি সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।