ঢাকা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

দেবীদ্বারে ৭০ হাজার উপকারভোগী হাম’র টিকা পাবে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:২৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার দেবীদ্বারে ৭০ হাজার ২শত উপকার ভোগী পাচ্ছেন হাম- রুবেওলা টিকা। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ‍্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আয়োজিত টিকাদান কর্মসূচীর এক ক্যাম্পেইনে ওই তথ‍্য জানানো হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো. মহিবুস সালাম খান’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ক‍্যাম্পইনে উপস্থিত ছিলেন, শিশু বিশেষজ্ঞ সহরারি অধ‍্যাপক ডাঃ শুভ্রা দত্ত, ডাঃ জি, আর, এম জিহাদুল ইসলাম, ডাঃ রবিউল ইসলাম এবং মেডিক‍্যাল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) মো. জসীম উদ্দিন সরকার, সাংবাদিক স্বাস্থ‍্য কমপ্লেক্সের নার্সসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগন। ক‍্যাম্পেইনে প্রতিবেদন উপস্থাপনায় রোগ নিয়ন্ত্রন বিশেষজ্ঞ ডাঃ সাদাত ইবতিশিয়াম বলেন, রুবেওলা (জার্মান হাম) একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ, যার প্রধান লক্ষণ হলো মুখমণ্ডল থেকে শুরু হয়ে দ্রুত সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া গোলাপি বা হালকা লালচে ফুসকুড়ি মতো দেখায়। হামের প্রভাব এখন বয়স্কদের মধ‍্যেও দেখা যাচ্ছে। চলতি বছর হাম- রুবেলা টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ‍্যালয় থেকে বিভিন্ন কমিউনিটির ৭০ হাজার ২ শত শিশুর মাঝে এ টিকা দেয়া হব।

তিনি আরো বলেন, ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া হামের প্রাদুর্ভাবে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত (১৯ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী) শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে মৃত্যুর সংখ্যা ভিন্ন হলেও, বেশিরভাগ রিপোর্টে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মিলে ২ শতাধিক বলে জানা হয়ে গেছে। এটি সাধারণত মৃদু হয়, তবে এতে হাম, যা রুবেওলা নামেও পরিচিত, একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাল সংক্রমণ যা মূলত শ্বাসযন্ত্রকে প্রভাবিত করে। এটি আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির সময় নির্গত ফোঁটার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাইরাসটি বাতাসে বা পৃষ্ঠতলে কয়েক ঘন্টা ধরে সক্রিয় থাকতে পারে। কেবল বাসনপত্র, পানীয় ভাগ করে নেওয়া, অথবা আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে একই ঘরে থাকার ফলে সংক্রমণ হতে পারে।

রুবেওলা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট হাম, ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার চার দিন আগে থেকে চার থেকে পাঁচ দিন পরে পর্যন্ত সংক্রামক। টিকা না দেওয়া শিশুদের জন্য এই সংক্রমণ বিশেষভাবে বিপজ্জনক এবং বিশ্বের অনেক জায়গায় এটি প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ হিসেবে রয়ে গেছে।
ভাইরাসটি প্রথমে নাক এবং গলার শ্লেষ্মা ঝিল্লিকে সংক্রামিত করে এবং সাধারণত সংস্পর্শে আসার ১০ থেকে ১৪ দিন পরে লক্ষণগুলি দেখা দেয়। এটি জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং কাশির মতো সাধারণ লক্ষণগুলির সাথে শুরু হতে পারে, তারপরে হামের ফুসকুড়ি দেখা দেয় যা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
এসময় সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের বিভন্ন প্রশ্নের জবাব দেন উপস্থিত চিকিৎসকগন।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধের আগের চেয়েও দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মজুত বাড়াচ্ছে ইরান

দেবীদ্বারে ৭০ হাজার উপকারভোগী হাম’র টিকা পাবে

প্রকাশিত : ০৫:২৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

দেবীদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: কুমিল্লার দেবীদ্বারে ৭০ হাজার ২শত উপকার ভোগী পাচ্ছেন হাম- রুবেওলা টিকা। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ‍্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আয়োজিত টিকাদান কর্মসূচীর এক ক্যাম্পেইনে ওই তথ‍্য জানানো হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো. মহিবুস সালাম খান’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ক‍্যাম্পইনে উপস্থিত ছিলেন, শিশু বিশেষজ্ঞ সহরারি অধ‍্যাপক ডাঃ শুভ্রা দত্ত, ডাঃ জি, আর, এম জিহাদুল ইসলাম, ডাঃ রবিউল ইসলাম এবং মেডিক‍্যাল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) মো. জসীম উদ্দিন সরকার, সাংবাদিক স্বাস্থ‍্য কমপ্লেক্সের নার্সসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগন। ক‍্যাম্পেইনে প্রতিবেদন উপস্থাপনায় রোগ নিয়ন্ত্রন বিশেষজ্ঞ ডাঃ সাদাত ইবতিশিয়াম বলেন, রুবেওলা (জার্মান হাম) একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ, যার প্রধান লক্ষণ হলো মুখমণ্ডল থেকে শুরু হয়ে দ্রুত সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়া গোলাপি বা হালকা লালচে ফুসকুড়ি মতো দেখায়। হামের প্রভাব এখন বয়স্কদের মধ‍্যেও দেখা যাচ্ছে। চলতি বছর হাম- রুবেলা টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ‍্যালয় থেকে বিভিন্ন কমিউনিটির ৭০ হাজার ২ শত শিশুর মাঝে এ টিকা দেয়া হব।

তিনি আরো বলেন, ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া হামের প্রাদুর্ভাবে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত (১৯ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী) শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে মৃত্যুর সংখ্যা ভিন্ন হলেও, বেশিরভাগ রিপোর্টে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মিলে ২ শতাধিক বলে জানা হয়ে গেছে। এটি সাধারণত মৃদু হয়, তবে এতে হাম, যা রুবেওলা নামেও পরিচিত, একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাল সংক্রমণ যা মূলত শ্বাসযন্ত্রকে প্রভাবিত করে। এটি আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির সময় নির্গত ফোঁটার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাইরাসটি বাতাসে বা পৃষ্ঠতলে কয়েক ঘন্টা ধরে সক্রিয় থাকতে পারে। কেবল বাসনপত্র, পানীয় ভাগ করে নেওয়া, অথবা আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে একই ঘরে থাকার ফলে সংক্রমণ হতে পারে।

রুবেওলা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট হাম, ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার চার দিন আগে থেকে চার থেকে পাঁচ দিন পরে পর্যন্ত সংক্রামক। টিকা না দেওয়া শিশুদের জন্য এই সংক্রমণ বিশেষভাবে বিপজ্জনক এবং বিশ্বের অনেক জায়গায় এটি প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ হিসেবে রয়ে গেছে।
ভাইরাসটি প্রথমে নাক এবং গলার শ্লেষ্মা ঝিল্লিকে সংক্রামিত করে এবং সাধারণত সংস্পর্শে আসার ১০ থেকে ১৪ দিন পরে লক্ষণগুলি দেখা দেয়। এটি জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং কাশির মতো সাধারণ লক্ষণগুলির সাথে শুরু হতে পারে, তারপরে হামের ফুসকুড়ি দেখা দেয় যা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
এসময় সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের বিভন্ন প্রশ্নের জবাব দেন উপস্থিত চিকিৎসকগন।