ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

তৃণমূলের আস্থা ও মানুষের ভালোবাসায় পটুয়াখালী বিএনপিতে মজিবুর রহমান টোটন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:১৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : সহজ-সরল আচরণ, সাবলীল কথাবার্তা আর তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের পাশে থাকার মানসিকতার কারণে পটুয়াখালীর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন জেলা বিএনপির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও পিপি অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি আইনজীবী হিসেবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণে তাঁর প্রতি দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

ছাত্রদলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে মজিবুর রহমান টোটনের রাজনৈতিক পথচলা শুরু। তবে রাজনীতির সঙ্গে তাঁর পরিবারের সম্পৃক্ততা ছিল আরও আগে থেকেই। তাঁর বাবা মরহুম মো. খলিলুর রহমান সিকদার ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অনুসারী। তিনি ইটবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি পটুয়াখালী সরকারি কলেজের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন বলেও পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচিতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পারিবারিক সেই রাজনৈতিক পরিবেশ থেকেই টোটনের রাজনীতিতে আসা। পটুয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর জেলা ছাত্রদলের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে পটুয়াখালী জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ পথচলায় টোটন পটুয়াখালী সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি, জেলা বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি আইন পেশাতেও সক্রিয় টোটন। তিনি পটুয়াখালী জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির প্যানেল আইনজীবী এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), পটুয়াখালীর প্যানেল আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।

তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার ক্ষেত্রেও তাঁর সক্রিয়তার কথা বলেন দলীয় কর্মীরা। বিশেষ করে মামলা-মোকদ্দমায় বিপদে পড়া নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো, আইনি সহায়তা দেওয়া এবং সাংগঠনিক বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার কারণে তিনি কর্মীদের কাছে আস্থার জায়গা তৈরি করেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

টোটনের নিজের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ ৪৪ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন সময়ে হয়রানি, নির্যাতন ও মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। রাজনৈতিক মামলায় কারাবরণও করেছেন বলে তাঁর রাজনৈতিক জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া রাজনৈতিক মামলাগুলো তিনি আইনজীবী হিসেবে পরিচালনা করে আসছেন বলে দাবি তাঁর।

রাজনীতির বাইরে সামাজিক কর্মকাণ্ডেও রয়েছে তাঁর সম্পৃক্ততা। তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি ও পরিবার পরিকল্পনা সমিতির আজীবন সদস্য হিসেবে যুক্ত আছেন। পাশাপাশি পটুয়াখালী ক্লিনিক, পটুয়াখালী রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দায়িত্বশীলভাবে যুক্ত থাকার কথা তাঁর জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার পাশাপাশি আইনজীবী হিসেবে সাধারণ মানুষের আইনি সহায়তায় ভূমিকা রাখার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেন তাঁর অনুসারীরা। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে একজন আইনজীবী ও সামাজিকভাবে সক্রিয় ব্যক্তি হিসেবেও টোটনের দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ড তাঁকে মানুষের কাছে পরিচিত করেছে।

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির রাজনীতিতে বর্তমানে তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ, নেতা-কর্মীদের পাশে থাকা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয়তার কারণে মজিবুর রহমান টোটনকে ঘিরে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রত্যাশাও রয়েছে। তাঁর অনুসারীদের দাবি, কঠিন রাজনৈতিক সময়েও মাঠের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলার প্রবণতাই তাঁকে আলাদা করে তুলেছে।

রাজনৈতিক উত্তরাধিকার, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, আইন পেশা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ড—এই চারটি ক্ষেত্রকে সঙ্গে নিয়ে মজিবুর রহমান টোটনের রাজনৈতিক পথচলা এখনো অব্যাহত। তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সহজ সম্পর্ক ভবিষ্যতের রাজনীতিতে তাঁকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন তাঁর সমর্থকেরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে মন্দির থেকে সোনা-রূপা চুরির ঘটনায় তরুণ গ্রেপ্তার,মালামাল উদ্ধার

তৃণমূলের আস্থা ও মানুষের ভালোবাসায় পটুয়াখালী বিএনপিতে মজিবুর রহমান টোটন

প্রকাশিত : ১০:১৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালী প্রতিনিধি : সহজ-সরল আচরণ, সাবলীল কথাবার্তা আর তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের পাশে থাকার মানসিকতার কারণে পটুয়াখালীর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন জেলা বিএনপির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও পিপি অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি আইনজীবী হিসেবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণে তাঁর প্রতি দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

ছাত্রদলের রাজনীতির মধ্য দিয়ে মজিবুর রহমান টোটনের রাজনৈতিক পথচলা শুরু। তবে রাজনীতির সঙ্গে তাঁর পরিবারের সম্পৃক্ততা ছিল আরও আগে থেকেই। তাঁর বাবা মরহুম মো. খলিলুর রহমান সিকদার ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অনুসারী। তিনি ইটবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি পটুয়াখালী সরকারি কলেজের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন বলেও পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচিতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পারিবারিক সেই রাজনৈতিক পরিবেশ থেকেই টোটনের রাজনীতিতে আসা। পটুয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর জেলা ছাত্রদলের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে পটুয়াখালী জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ পথচলায় টোটন পটুয়াখালী সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি, জেলা বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি আইন পেশাতেও সক্রিয় টোটন। তিনি পটুয়াখালী জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির প্যানেল আইনজীবী এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), পটুয়াখালীর প্যানেল আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।

তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার ক্ষেত্রেও তাঁর সক্রিয়তার কথা বলেন দলীয় কর্মীরা। বিশেষ করে মামলা-মোকদ্দমায় বিপদে পড়া নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো, আইনি সহায়তা দেওয়া এবং সাংগঠনিক বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার কারণে তিনি কর্মীদের কাছে আস্থার জায়গা তৈরি করেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

টোটনের নিজের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ ৪৪ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন সময়ে হয়রানি, নির্যাতন ও মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। রাজনৈতিক মামলায় কারাবরণও করেছেন বলে তাঁর রাজনৈতিক জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন উপজেলার বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া রাজনৈতিক মামলাগুলো তিনি আইনজীবী হিসেবে পরিচালনা করে আসছেন বলে দাবি তাঁর।

রাজনীতির বাইরে সামাজিক কর্মকাণ্ডেও রয়েছে তাঁর সম্পৃক্ততা। তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল, বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি ও পরিবার পরিকল্পনা সমিতির আজীবন সদস্য হিসেবে যুক্ত আছেন। পাশাপাশি পটুয়াখালী ক্লিনিক, পটুয়াখালী রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দায়িত্বশীলভাবে যুক্ত থাকার কথা তাঁর জীবনবৃত্তান্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার পাশাপাশি আইনজীবী হিসেবে সাধারণ মানুষের আইনি সহায়তায় ভূমিকা রাখার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেন তাঁর অনুসারীরা। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে একজন আইনজীবী ও সামাজিকভাবে সক্রিয় ব্যক্তি হিসেবেও টোটনের দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ড তাঁকে মানুষের কাছে পরিচিত করেছে।

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির রাজনীতিতে বর্তমানে তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ, নেতা-কর্মীদের পাশে থাকা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয়তার কারণে মজিবুর রহমান টোটনকে ঘিরে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রত্যাশাও রয়েছে। তাঁর অনুসারীদের দাবি, কঠিন রাজনৈতিক সময়েও মাঠের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলার প্রবণতাই তাঁকে আলাদা করে তুলেছে।

রাজনৈতিক উত্তরাধিকার, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, আইন পেশা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ড—এই চারটি ক্ষেত্রকে সঙ্গে নিয়ে মজিবুর রহমান টোটনের রাজনৈতিক পথচলা এখনো অব্যাহত। তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সহজ সম্পর্ক ভবিষ্যতের রাজনীতিতে তাঁকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় নিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন তাঁর সমর্থকেরা।