ঢাকা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ শিকার, ৮ জেলের কারাদণ্ড

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৪:৫৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফলে মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরার অভিযোগে আট জেলেকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের মধ্যে সাতজনকে ১৯ দিন করে এবং একজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার ধুলিয়া, চন্দ্রদ্বীপ ও মমিনপুর পয়েন্টসংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর ও নৌ পুলিশ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে জেলেদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার মিটার জাল ও বেশ কিছু ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা মাছ স্থানীয় একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। জাল প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর রায় সাহেব গ্রামের আরিফ ফকির, ফিরোজ হাওলাদার, ইসমাইল খন্দকার ও রমিজ প্যাদা; ধুলিয়া ইউনিয়নের মঠবাড়িয়া গ্রামের মো. খবির খন্দকার, ইসমাইল ফকির ও মো. শহিদুল ইসলাম এবং মমিনপুর গ্রামের মো. জাহিদুল ইসলাম। তাঁদের মধ্যে জাহিদুল ইসলামকে এক মাসের এবং অন্য সাতজনকে ১৯ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বাউফল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল।
কালাইয়া বন্দর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মনির হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আট জেলেকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে জাল ও ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ বলেন, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে ৮ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাদা গোলাপ হাতে কালো গাউনে অপূর্ব সুন্দর লাগছে মেহজাবীনকে

তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ শিকার, ৮ জেলের কারাদণ্ড

প্রকাশিত : ০৪:৫৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফলে মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরার অভিযোগে আট জেলেকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের মধ্যে সাতজনকে ১৯ দিন করে এবং একজনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার ধুলিয়া, চন্দ্রদ্বীপ ও মমিনপুর পয়েন্টসংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর ও নৌ পুলিশ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে জেলেদের কাছ থেকে পাঁচ হাজার মিটার জাল ও বেশ কিছু ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা মাছ স্থানীয় একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। জাল প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর রায় সাহেব গ্রামের আরিফ ফকির, ফিরোজ হাওলাদার, ইসমাইল খন্দকার ও রমিজ প্যাদা; ধুলিয়া ইউনিয়নের মঠবাড়িয়া গ্রামের মো. খবির খন্দকার, ইসমাইল ফকির ও মো. শহিদুল ইসলাম এবং মমিনপুর গ্রামের মো. জাহিদুল ইসলাম। তাঁদের মধ্যে জাহিদুল ইসলামকে এক মাসের এবং অন্য সাতজনকে ১৯ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বাউফল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল।
কালাইয়া বন্দর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মনির হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আট জেলেকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে জাল ও ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়েছে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ বলেন, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে ৮ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে।