ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

নিষেধাজ্ঞা শেষের আগে বেপরোয়া জেলেরা, হামলার মুখে ইলিশ রক্ষার অভিযান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: নিষেধাজ্ঞা চলছে, নদীতে অভিযানও থেমে নেই। জব্দ হচ্ছে মাছ ধরার নৌযান, উদ্ধার হচ্ছে লাখ লাখ মিটার অবৈধ জাল। সেই জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হচ্ছে, করা হচ্ছে মামলা, পাঠানো হচ্ছে কারাগারে, আদায় করা হচ্ছে জরিমানা। এত কিছুর পরও থামছে না মা ইলিশ শিকার। বরং ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সময় যত ঘনিয়ে আসছে, পটুয়াখালীর নদ-নদীতে ততই বাড়ছে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার প্রবণতা। কোথাও অভিযান চালাতে গিয়ে হামলার শিকার হচ্ছেন মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা, কোথাও চলছে প্রকাশ্যে ইলিশ কেনাবেচা।
মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। কিন্তু পটুয়াখালীর বিভিন্ন নদ-নদী ও উপকূলীয় এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি কার্যকর করা যাচ্ছে না।

গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার রতনদী-তালতলী ইউনিয়নসংলগ্ন কালীরচর এলাকায় বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে মা ইলিশ শিকারের খবর পেয়ে অভিযান চালায় মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সময় জেলেদের ট্রলার থেকে বৈঠা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে চালানো হামলায় আহত হন গলাচিপা থানার পুলিশ কনস্টেবল মো. জসিম উদ্দিন এবং অভিযানে ব্যবহৃত স্পিডবোটের চালক মো. শাহজালাল। তাঁদের গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।
এর আগের দিন বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া এলাকায় পায়রা নদীতে অভিযান চালাতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে মৎস্য বিভাগ। অভিযোগ উঠেছে, একদল জেলে সংঘবদ্ধ হয়ে মৎস্য বিভাগের স্পিডবোট ধাওয়া করেন এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে পুলিশ, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের সহায়তায় যৌথ অভিযান চালিয়ে দুটি মাছ ধরার নৌযান ও ২০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়।
শুধু নদীতে মাছ ধরা নয়, নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইলিশের বেচাকেনা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দশমিনার নদ-নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ইলিশ কেনাবেচার খবর পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, কোথাও কোথাও প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। এতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার প্রবণতা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।
জেলা মৎস্য বিভাগের হিসাব বলছে, ৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত পটুয়াখালীর বিভিন্ন নদ-নদীতে ৪১০টি অভিযান চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ১০২টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ১৫৮টি মামলা হয়েছে। কারাগারে পাঠানো হয়েছে ১৪২ জনকে। জরিমানা আদায় করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৬০০ টাকা।
এ সময়ে ১ দশমিক ০৪৫ মেট্রিক টন ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে ১৭ লাখ ৯২০ মিটার অবৈধ জাল, যার আনুমানিক বাজারমূল্য তিন কোটি টাকার বেশি। জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
অর্থাৎ, একদিকে অভিযান ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চলছে, অন্যদিকে অব্যাহত রয়েছে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, এত অভিযান ও জব্দের পরও নদীতে মা ইলিশ শিকার পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না কেন?
মৎস্য বিভাগের অভিযানের পাশাপাশি ইলিশের প্রজননকাল ও নিষেধাজ্ঞার সময় নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের একুয়া কালচার বিভাগের অধ্যাপক ড, মো, লোকমান হাকিম মনে করেন, মা ইলিশ রক্ষায় আরও আগেই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন ছিল। বিশেষ করে প্রজনন মৌসুম নিয়ে ব্যাপক গবেষনা করা দরকার বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, আসলে ইলিশ যে সময়ে প্রজননে অংশ নিতে উজানে আসে, পরিবেশের জন্য সেই সময় কিছু আগ-পাছ হতে পারে। প্রজনেন সঠিক সময় নিয়ে গবেষনা করা দরকার।
তিনি বলেন, প্রজননকালে ইলিশ উজানের দিকে আসে এবং বছরে সাধারণত তিন থেকে চারবার ডিম ছাড়ার জন্য উজানে আসে। গভীর পানি ও প্রবল স্রোতের মধ্য দিয়ে ইলিশ প্রজননক্ষেত্রে পৌঁছায়। এ সময় জেলেদের জালে ব্যাপক হারে ডিমওয়ালা ইলিশ ধরা পড়ে।
মা ইলিশের প্রজনন নিশ্চিত করতে সময় আরো সরকারের আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীসহসেচেতর জেলেদের সমঋক্ত করতে হবে। পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলেদের বিকল্প জীবিকা ও পুনর্বাসনের আওতায় আনার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালীতে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৮২ হাজার ১৯১। প্রধান প্রজনন মৌসুমে সহায়তার জন্য তাঁদের মধ্যে ৭০ হাজার ৩৫৬ জনের প্রত্যেকের জন্য ২৫ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মোট বরাদ্দের পরিমাণ ১ হাজার ৭৫৮ দশমিক ৯০ মেট্রিক টন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, ইলিশের সম্পদ উন্নয়নে জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ করছে মৎস্য বিভাগ। জেলেদের সচেতন করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, মৎস্য বিভাগের জনবল ও নৌযানের সংকট রয়েছে। তারপরও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সমন্বয়ে নিয়মিত যৌথ অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রতিদিন একাধিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় দ্রুত পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। এসব এলাকায়ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিষেধাজ্ঞা শেষের আগে বেপরোয়া জেলেরা, হামলার মুখে ইলিশ রক্ষার অভিযান

নিষেধাজ্ঞা শেষের আগে বেপরোয়া জেলেরা, হামলার মুখে ইলিশ রক্ষার অভিযান

প্রকাশিত : ০৬:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: নিষেধাজ্ঞা চলছে, নদীতে অভিযানও থেমে নেই। জব্দ হচ্ছে মাছ ধরার নৌযান, উদ্ধার হচ্ছে লাখ লাখ মিটার অবৈধ জাল। সেই জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হচ্ছে, করা হচ্ছে মামলা, পাঠানো হচ্ছে কারাগারে, আদায় করা হচ্ছে জরিমানা। এত কিছুর পরও থামছে না মা ইলিশ শিকার। বরং ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সময় যত ঘনিয়ে আসছে, পটুয়াখালীর নদ-নদীতে ততই বাড়ছে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার প্রবণতা। কোথাও অভিযান চালাতে গিয়ে হামলার শিকার হচ্ছেন মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা, কোথাও চলছে প্রকাশ্যে ইলিশ কেনাবেচা।
মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। কিন্তু পটুয়াখালীর বিভিন্ন নদ-নদী ও উপকূলীয় এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি কার্যকর করা যাচ্ছে না।

গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার রতনদী-তালতলী ইউনিয়নসংলগ্ন কালীরচর এলাকায় বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে মা ইলিশ শিকারের খবর পেয়ে অভিযান চালায় মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সময় জেলেদের ট্রলার থেকে বৈঠা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে চালানো হামলায় আহত হন গলাচিপা থানার পুলিশ কনস্টেবল মো. জসিম উদ্দিন এবং অভিযানে ব্যবহৃত স্পিডবোটের চালক মো. শাহজালাল। তাঁদের গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে।
এর আগের দিন বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া এলাকায় পায়রা নদীতে অভিযান চালাতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে মৎস্য বিভাগ। অভিযোগ উঠেছে, একদল জেলে সংঘবদ্ধ হয়ে মৎস্য বিভাগের স্পিডবোট ধাওয়া করেন এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে পুলিশ, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের সহায়তায় যৌথ অভিযান চালিয়ে দুটি মাছ ধরার নৌযান ও ২০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়।
শুধু নদীতে মাছ ধরা নয়, নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইলিশের বেচাকেনা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দশমিনার নদ-নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ইলিশ কেনাবেচার খবর পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, কোথাও কোথাও প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। এতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার প্রবণতা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।
জেলা মৎস্য বিভাগের হিসাব বলছে, ৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত পটুয়াখালীর বিভিন্ন নদ-নদীতে ৪১০টি অভিযান চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ১০২টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে ১৫৮টি মামলা হয়েছে। কারাগারে পাঠানো হয়েছে ১৪২ জনকে। জরিমানা আদায় করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৬০০ টাকা।
এ সময়ে ১ দশমিক ০৪৫ মেট্রিক টন ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে ১৭ লাখ ৯২০ মিটার অবৈধ জাল, যার আনুমানিক বাজারমূল্য তিন কোটি টাকার বেশি। জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
অর্থাৎ, একদিকে অভিযান ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চলছে, অন্যদিকে অব্যাহত রয়েছে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, এত অভিযান ও জব্দের পরও নদীতে মা ইলিশ শিকার পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না কেন?
মৎস্য বিভাগের অভিযানের পাশাপাশি ইলিশের প্রজননকাল ও নিষেধাজ্ঞার সময় নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের একুয়া কালচার বিভাগের অধ্যাপক ড, মো, লোকমান হাকিম মনে করেন, মা ইলিশ রক্ষায় আরও আগেই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন ছিল। বিশেষ করে প্রজনন মৌসুম নিয়ে ব্যাপক গবেষনা করা দরকার বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, আসলে ইলিশ যে সময়ে প্রজননে অংশ নিতে উজানে আসে, পরিবেশের জন্য সেই সময় কিছু আগ-পাছ হতে পারে। প্রজনেন সঠিক সময় নিয়ে গবেষনা করা দরকার।
তিনি বলেন, প্রজননকালে ইলিশ উজানের দিকে আসে এবং বছরে সাধারণত তিন থেকে চারবার ডিম ছাড়ার জন্য উজানে আসে। গভীর পানি ও প্রবল স্রোতের মধ্য দিয়ে ইলিশ প্রজননক্ষেত্রে পৌঁছায়। এ সময় জেলেদের জালে ব্যাপক হারে ডিমওয়ালা ইলিশ ধরা পড়ে।
মা ইলিশের প্রজনন নিশ্চিত করতে সময় আরো সরকারের আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীসহসেচেতর জেলেদের সমঋক্ত করতে হবে। পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলেদের বিকল্প জীবিকা ও পুনর্বাসনের আওতায় আনার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালীতে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৮২ হাজার ১৯১। প্রধান প্রজনন মৌসুমে সহায়তার জন্য তাঁদের মধ্যে ৭০ হাজার ৩৫৬ জনের প্রত্যেকের জন্য ২৫ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মোট বরাদ্দের পরিমাণ ১ হাজার ৭৫৮ দশমিক ৯০ মেট্রিক টন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, ইলিশের সম্পদ উন্নয়নে জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি জেলা টাস্কফোর্স কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ করছে মৎস্য বিভাগ। জেলেদের সচেতন করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, মৎস্য বিভাগের জনবল ও নৌযানের সংকট রয়েছে। তারপরও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সমন্বয়ে নিয়মিত যৌথ অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রতিদিন একাধিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় দ্রুত পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। এসব এলাকায়ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।