তিনি আরও বলেন, মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে অন্তরের একনিষ্ঠতা, তাকওয়া এবং আমলের বিশুদ্ধতা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। ইবাদতের ক্ষেত্রে আত্মপ্রচার ও লোকদেখানো মনোভাব পরিহার করে কোরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। ব্যক্তিজীবন, পরিবার ও সমাজে ইসলামের আদর্শ প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।
১৯ অক্টোবর, সোমবার নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকায় ঘারমোড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ছারছীনা দরবার শরীফের পীর ছাহেবের কেবলার শুভাগমন উপলক্ষে বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর বন্দর থানা শাখা এবং অঙ্গসংগঠন আইম্মায়ে হিযবুল্লাহ, যুব হিযবুল্লাহ ও ছাত্র হিযবুল্লাহ কর্তৃক আয়োজিত ঈছালে ছওয়াব, ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ মাহফিলের আয়োজন করে।
মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, ছারছীনা দারুচ্চুন্নাত জামেয়ায়ে নেছারীয়া দীনিয়ার নায়েবে মুদীর মাওলানা মোঃ মামুনুল হক, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।
মাহফিলে স্থানীয় আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ, যুব হিযবুল্লাহ ও ছাত্র হিযবুল্লাহর নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে হযরত পীর ছাহেব কেবলা আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















