ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

শাসনা রক্ষিতা বৌদ্ধ বিহারে ৩৮তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:৪৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়িতে সদর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে শাসনা রক্ষিতা বৌদ্ধ বিহারে ৩৮তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিহার প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে চীবর দান, কল্পতরু দান, বৌদ্ধমূর্তি দানসহ নানা ধরনের দানানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীরা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় গুরু ভান্তে ধর্মদেশনা প্রদান করেন।
বৌদ্ধ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, বর্ষাবাসের তিন মাস ভিক্ষুরা নির্দিষ্ট বিহারে অবস্থান করে ধর্মীয় অনুশীলন ও সাধনায় নিয়োজিত থাকেন। বর্ষাবাস শেষে ভিক্ষুসংঘের উদ্দেশ্যে কঠিন চীবর দানের আয়োজন করা হয়। এ দানের মাধ্যমে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা ভিক্ষুসংঘের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং ধর্মীয় পুণ্য অর্জন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মংসাপ্রু চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মারমা কল্যাণ সমিতির সভাপতি মংসুইথোয়াই মারমা।

ধর্মদেশনা ও বিভিন্ন দানকর্মের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ধর্মের ত্যাগ, সংযম, মৈত্রী, করুণা ও মানবকল্যাণের শিক্ষা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজনের মাধ্যমে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার হয়।
কঠিন চীবর দান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে চীবর দান, সংঘদান, কল্পতরু দানসহ বিভিন্ন পুণ্যকর্মে অংশ নেন ধর্মপ্রাণ দায়ক – দায়িকারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুমকিতে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‍্যালী আলোচনা সভা

শাসনা রক্ষিতা বৌদ্ধ বিহারে ৩৮তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত : ০৭:৪৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়িতে সদর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে শাসনা রক্ষিতা বৌদ্ধ বিহারে ৩৮তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিহার প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে চীবর দান, কল্পতরু দান, বৌদ্ধমূর্তি দানসহ নানা ধরনের দানানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীরা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় গুরু ভান্তে ধর্মদেশনা প্রদান করেন।
বৌদ্ধ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, বর্ষাবাসের তিন মাস ভিক্ষুরা নির্দিষ্ট বিহারে অবস্থান করে ধর্মীয় অনুশীলন ও সাধনায় নিয়োজিত থাকেন। বর্ষাবাস শেষে ভিক্ষুসংঘের উদ্দেশ্যে কঠিন চীবর দানের আয়োজন করা হয়। এ দানের মাধ্যমে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা ভিক্ষুসংঘের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং ধর্মীয় পুণ্য অর্জন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মংসাপ্রু চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মারমা কল্যাণ সমিতির সভাপতি মংসুইথোয়াই মারমা।

ধর্মদেশনা ও বিভিন্ন দানকর্মের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ধর্মের ত্যাগ, সংযম, মৈত্রী, করুণা ও মানবকল্যাণের শিক্ষা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজনের মাধ্যমে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার হয়।
কঠিন চীবর দান বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে চীবর দান, সংঘদান, কল্পতরু দানসহ বিভিন্ন পুণ্যকর্মে অংশ নেন ধর্মপ্রাণ দায়ক – দায়িকারা উপস্থিত ছিলেন।