চট্টগ্রাম বন্দরের বহিঃনোঙ্গরে অবস্থানরত বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা জোরদার, চুরি ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধভাবে পণ্য কেনা-বেচা বন্ধে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় সভা করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাতে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর। এ বন্দরের মাধ্যমে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের বড় একটি অংশ সম্পন্ন হয়। তাই বন্দরের জলসীমায় দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জাতীয় অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কোস্ট গার্ডের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর ও তৎসংলগ্ন জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজে চুরি, চোরাচালান এবং অবৈধভাবে পণ্য কেনা-বেচা প্রতিরোধে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোন নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর ধারাবাহিকতায় বহিঃনোঙ্গরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধসংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে এ সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়।
সাব্বির আলম সুজন জানান, কোস্ট গার্ডের নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের ফলে বাংলাদেশের জলসীমায় বাণিজ্যিক জাহাজে চুরির ঘটনা কমেছে। ২০২৪ সালে এ ধরনের ১০টি ঘটনা ঘটলেও ২০২৫ সালে তা কমে চারটিতে দাঁড়ায়। এ বছরও এ সংখ্যা চারটিতে অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, ৪২টি শিপিং এজেন্ট কোম্পানি, কাফকো, সিইউএফএল, পিসিটি, আরএসজিটি ও বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















